বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৮, ১৩ বৈশাখ ১৪২৫
logo
 
  • হোম
  • সারাদেশ
  • ডুবে যাওয়া কার্গো উদ্ধারে আসছে ২ উদ্ধারকারী জাহাজ

ডুবে যাওয়া কার্গো উদ্ধারে আসছে ২ উদ্ধারকারী জাহাজ

ডুবে যাওয়া কার্গো উদ্ধারে আসছে ২ উদ্ধারকারী জাহাজ

বাগেরহাট, ১৬ এপ্রিল, এবিনিউজ : বাগেরহাটের মোংলা বন্দর চ্যানেলের ৭৭৫ মেট্রিক টন কয়লা বোঝাই লাইটার জাহাজ উদ্ধারের জন্য দুইটি উদ্ধারকারী জাহাজ ঘটনাস্থলে আনা হচ্ছে। জাহাজ দুইটির কাজ শুরু করলে আগামী ৭/৮ দিনের মধ্যে কার্গোটি টেনে তোলা সম্ভব হবে।

পশুর নদীর হারবাড়িয়া এলাকায় ডুবে যায় জাহাজটি। মোংলা বন্দরের হারবার মাস্টার কমান্ডার অলিউল্লাহ ও বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক সংঘের সভাপতি মো. দুলাল সোমবার দুপুরে এই তথ্য নিশ্চিত করেন। সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগ এবং পরিবেশ অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

মোংলা বন্দরের হারবার মাস্টার কমান্ডার ওলিইল্লাহ বলেন, কার্গো জাহাজটির মালিকপক্ষ দুটি উদ্ধারকারী জাহাজ ঘটনাস্থলে পাঠাচ্ছেন। তারা প্রথমে ডুবে যাওয়া কার্গো থেকে কয়লা তুলে এরপর কার্গো জাহাজটি উত্তোলন করবেন।

তিনি আরও বলেন, রবিবার দুপুরে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ পশুর নদীতে ডুবে যাওয়া স্থানে ডুবুরি নামিয়ে জাহাজটিতে ‘মার্কিং বয়া’ স্থাপন করেছে। এখন এই মার্কিং বয়ার কারণে মোংলা বন্দরে আসা দেশি-বিদেশি জাহাজগুলো দুর্ঘটনাস্থল এড়িয়ে চলাচল করতে পারছে। মোংলা বন্দর চ্যানেলে কয়লা বোঝাই লাইটার ডুবির পর বন্দরের কার্যক্রম ও চ্যানেলে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

সুন্দরবনের হারবাড়িয়া এলাকার ৬ নম্বর অ্যাংকোরেজে থাকা লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ ‘এমভি অভজারভার’ ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা নিয়ে মোংলা বন্দরে আসে। জাহাজটি থেকে রোববার ভোরে কয়লা নেওয়া হয় ঢাকার ইস্টার্ন ক্যারিয়ার নেভিগেশনের মো. সোহেল আহম্মদের ‘এমভি বিলাস’ কার্গো জাহাজে। খুলনার দুলাল এন্টারপ্রাইজের জন্য ইট ভাটা ও সিরামিক কারখানাগুলোর জন্য আমদানি করা কয়লা নিয়ে তা রাজধানীর উদ্দেশে রওনা দেয়। কিছু দূর এগোলেই ডুবোচরে ধাক্কা লেগে তলা ফেটে এটি ডুবে যায়। এ সময় কার্গোতে থাকা সাত কর্মচারী সাঁতরে তীরে উঠে আসেন।

সুন্দরবনের মধ্যে পশুর নদীতে লাইটার জাহাজ ডুবির ঘটনায় সুন্দরবনের কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হবে তা নিরূপণ করতে এক সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বনবিভাগ। অপরদিকে রোববার দুপুরে কয়লার মালিকপক্ষে চট্রগ্রামের সাহারা এন্টারপ্রাইজের অপারেশন ম্যানেজার লালন হাওলাদার মোংলা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

জিডিতে তিনি দাবি করেছেন, দুর্ঘটনায় কোম্পানির ১ কোটি ১৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা ক্ষতি হয়েছে। একই সঙ্গে ডুবে যাওয়া লাইটার কার্গোর মাস্টার ফরিদ মিয়া দুর্ঘটনার কারণ উল্লেখ করে মোংলা থানায় অপর একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী।

এবিএন/জনি/জসিম/জেডি

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত