বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৮, ১৩ বৈশাখ ১৪২৫
logo
 

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ : সু চির লাভ কতটা?

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ : সু চির লাভ কতটা?

ঢাকা, ২১ মার্চ, এবিনিউজ : মিয়ানমারের রাষ্ট্রপতি থিন কিয়াও পদত্যাগ করেছেন বলে তার কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির ফেসবুক পাতায় অবশ্য বলা হয়েছে, তিনি বিশ্রাম নিতে চান।

৭ দিনের মধ্যে নতুন প্রেসিডেন্ট নিযুক্ত হওয়া না পর্যন্ত দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট সাবেক জেনারেল মিন্ট সোয়ে প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে থাকবেন।

বেশ কিছু দিন ধরে ৭১ বছর বয়সী থিন কিয়াও স্বাস্থ্যগত কিছু সমস্যায় ভুগছিলেন। কাছাকাছি সময়ে বেশ কিছু অনুষ্ঠানে তাকে অংশ নিতে দেখা গেছে খুব দুর্বল অবস্থায়।

২০১৬ সালে ঐতিহাসিক এক নির্বাচনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতায় আসেন থিন কিয়াও। ওই নির্বাচনের মাধ্যমে মিয়ানমারে কয়েক দশক ধরে চলা সেনা শাসনের অবসান হয়। তবে সেটিকেও কাগজে শুধু কলমে অবসান বলে মনে করা হয়। সেই অর্থে প্রেসিডেন্ট হিসেবে থিন কিয়াওয়ের তেমন কোনো ক্ষমতা ছিল না। দীর্ঘ দিনের বিরোধী নেত্রী অং সান সু চিকে বলা হতো ‘ডি ফ্যাক্টো’ নেতা।

তবে তার পরও আনুষ্ঠানিকভাবে এমন কোন উচ্চপর্যায়ের রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব নেয়ার ক্ষেত্রে অং সান সু চির ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

দেশটির সংবিধানে এমন একটি ধারা রয়েছে যেখানে বলা হয়েছে বার্মিজ কারো সন্তান যদি অন্য দেশের নাগরিক হন তাহলে তিনি এমন দায়িত্ব নিতে পারবেন না। অনেকেই মনে করে সু চিকে এমন ক্ষমতা থেকে দূরে রাখতেই ইচ্ছা করে সংবিধানে এমন ধারা রাখা হয়েছে।

অং সাং সু চি একজন প্রয়াত ব্রিটিশ নাগরিকের সাথে বিবাহিত ছিলেন এবং তাদের দুটি সন্তান রয়েছে। থিন কিয়াও ছিলেন অং সান সু চির দীর্ঘদিনের পুরনো বন্ধু ও উপদেষ্টা। তিনি সবসময় কথা খুব কম বলতেন। তবে তাকে সবসময় সু চির খুব নির্ভরযোগ্য একজন সহযোগী বলে মনে করা হয়। অং সান সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি ২০১৫ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ব্যাপক ভোটে জয়ী হওয়ার পর থেকেই নানা ধরনের সমস্যার মুখে পড়ছে।

বিশেষ করে রাখাইনে প্রদেশে। সেনা অভিযানের মুখে লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসার পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে অং সান সু চি ও তার দল।

সূত্র : বিবিসি

এবিএন/সাদিক/জসিম/এসএ

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত