সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ৭ ফাল্গুন ১৪২৫
logo
feb18  
  • হোম
  • সারাদেশ
  • যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক ৬ লেন ও ঝুঁকিপূর্ণ গাছ কর্তনের পক্ষে গণস্বাক্ষর

যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক ৬ লেন ও ঝুঁকিপূর্ণ গাছ কর্তনের পক্ষে গণস্বাক্ষর

যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক ৬ লেন ও ঝুঁকিপূর্ণ গাছ কর্তনের পক্ষে গণস্বাক্ষর

যশোর, ২৩ জানুয়ারি, এবিনিউজ : বেনাপোলে যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণের দাবিতে এবং মৃতপ্রায় ঝুঁকিপূর্ণ গাছ কর্তনের পক্ষে বিশাল এক মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচী পালন করেছেন বন্দর ব্যবহারকারি বিভিন্ন সংগঠনসহ স্থানীয় সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ জনতা। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার সময় বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সামনে হাজার হাজার মানুষ যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণের দাবিতে এ মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেন।

বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস এ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত এ বিশাল মানববন্ধন ও গণ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সাধারণ জনগণের পাশাপাশি যেসকল সংগঠনের ব্যানার দেখাযায় সেগুলো হলো- বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস এ্যাসোসিয়েশন, বেনাপোল কাস্টমস সিএন্ডএফ এজেন্টস ষ্টাফ ওয়েলফেয়ার এ্যাসোসিয়েশন, বন্দর প্রেস ক্লাব, বেনাপোল প্রেস ক্লাব, যশোর জেলা ট্রাক ও ট্যাঙ্কলরি মালিক সমিতি, যশোর জেলা ট্রাক মালিক সমিতি, ঝিকরগাছা ট্রাক মালিক সমিতি, ঝিকরগাছা-শার্শা ও বেনাপোল ট্রাক মালিক সমিতি, বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতি, বেনাপোল ল্যান্ড পোর্ট আমদানি কারক সমিতি ও হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৮৯১।

এসময় বক্তারা বলেন, যশোর-বেনাপোল রোডে গাছ কাটার বিপক্ষে যেসকল আন্দোলনকারীরা ২ হাজার ৩’শ গাছের কথা বলছেন তা আসলে সঠিক না। এই রোর্ডে শতবর্ষী বৃক্ষ ৪’শ থেকে ৫’শ হবে। তাও মৃতপ্রায় ও ঝুঁকিপূর্ণ। যা এখনি কাটা না হলে ঝড়বৃষ্টিতে যেকোন সময়ে বড় ধরণের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে।

বক্তারা আরো বলেন, যশোর-বেনাপোল সড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি মহাসড়ক। যে সড়ক দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার যানবাহন চলাচল করে। যার এক প্রান্ত “বেনাপোলে” দেশের সর্ববুহৎ স্থলবন্দর অবস্থিত। যেখান থেকে সরকার প্রতি বছর কয়েক’শ কোটি কোটি টাকার রাজস্ব আহরণ করে। সেকারণে হলেও এসকল ঝুঁকিপূর্ণ গাছ কর্তণ করে রাস্তাটি প্রসস্ত করলে একদিকে যেমন বন্দরের উন্নয়ন তড়িৎ গতিতে সম্ভব হবে অণ্যদিকে এখান থেকে সরকারের আসবে কয়েক গুণ বৃদ্ধিতে রাজস্ব আহরণ।

এ বিষয়ে বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ¦ মফিজুর রহমান স্বজন বলেন, যশোর-বেনাপোল সড়কের শত বছরের পুরাতন গাছগুলো দিনে দিনে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সেসাথে রাস্তা প্রস্বস্তকরণ ও সংস্কারকরণ না করে সেই গাছ রেখে দিয়ে এপথের ব্যবসা বানিজ্য দিনে দিনে কমে যাচ্ছে।

একইসাথে অনাকাঙ্খিত সড়ক দুর্ঘটনার মত অনেক ঘটনা ঘটে যাতায়াতকারিদের জানমাল হারানোসহ অনেক বিপদজনক ঘটনা ঘটছে। এছাড়া বেনাপোল বন্দর কেবল বাংলাদেশের নয়, এশিয়া মহাদেশের মধ্যে সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর এটি। সেসাথে একমাত্র এই রাস্তার উপরই বেনাপোল বন্দরের সকল ব্যবসা বানিজ্যের ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা নির্ভর করে। সেখানে এই সড়কের অবস্থা খুবই নাজুক থাকায় এ পথের আমদানি রপ্তানি বানিজ্য দিনদিন হ্রাস পেতে বসেছে।

যদি, যথা শ্রীঘ্র এই সড়কটি ছয় লেনে উন্নীত করা হয়, তা হলে একদিকে যেমন এপথের ব্যবসা বাণিজ্য ক্রমাগত বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে সরকারের ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বেনাপোল বন্দর।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঝিকরগাছা-শার্শা-বেনাপোল ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি ও বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস এ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব শামছুর রহমান, বর্তমান সভাপতি আলহাজ¦ মফিজুর রহমান সজন, সিনিয়র সহ সভাপতি আলহাজ¦ নুরুজ্জামান, যুগ্ম সম্পাদক আলহাজ্ব মহসিন মিলন, কাস্টমস বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন, বন্দর বিষয়ক সম্পাদক সাহাবুদ্দিন হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ও শার্শা উপজেলা পরিষদের ভাইস চোয়ারম্যান মেহেদী হাসান, নেতা আলহাজ¦ মজনুর রহমান, শিমুল, মেহেরুল্লাহ, সেলিম, আকবার আলী, বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট স্ট্যাফ এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মতিয়ার রহমান প্রমুখ।

এবিএন/ইয়ানূর রহমান/জসিম/রাজ্জাক

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত