বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ৯ ফাল্গুন ১৪২৫
logo
feb18  

‘রাজ্জাকের জীবনটাই চলচ্চিত্রের মত’

‘রাজ্জাকের জীবনটাই চলচ্চিত্রের মত’

ঢাকা, ২৩ জানুয়ারি, এবিনিউজ : ‘সিনেমার গল্পে দেখানো হয় গ্রাম থেকে একটা ছেলে এসে নায়ক হতে চায়। কিন্তু সে সহজে তা হতে পারে না। তাকে নানা সংগ্রাম করে টিকে থাকতে হয়। একটা সময় সমস্ত বাধা অতিক্রম করে অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। রাজ্জাকের জীবনটাই চলচ্চিত্রের মত।’

‘চলচ্চিত্রের মত এ কারণে বলছি, বাস্তবে এত সংগ্রাম করে কোটিতে একটা যুবক তার লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে।’‘রাজ্জাকের জীবনটাই চলচ্চিত্রের মত’

নায়ক রাজ রাজ্জাকের ৭৭তম জন্মদিন উপলক্ষে বিএফডিসির মান্না ডিজিটাল কমপ্লেক্সের মিলনায়তনে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি এক দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় এমন মন্তব্য করেন চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব হাসান ইমাম।

তিনি বলেন, ‘আমি নানা কারণে ১৮ বছর চলচ্চিত্র থেকে দূরে ছিলাম। কিন্তু রাজ্জাকের পুরো জীবনটাই ছিলো সিনেমার। শুধু একার ওর পরিবারকে সিনেমায় নিয়ে এসেছে। তাই ওর পরিবারকে চলচ্চিত্র পরিবার বলা যায়।’‘রাজ্জাকের জীবনটাই চলচ্চিত্রের মত’

প্রখ্যাত গীতিকার, নির্মাতা, প্রযোজক গাজী মাজহারুল আনোয়ার বলেন, ‘রাজ্জাক কোনোদিন মরতে পারেন না। রাজ্জাক সে দিনই মরবেন যেদিন বাংলাদেশের চলচ্চিত্র মরবে।’

‘ছুটির ঘণ্টা’খ্যাত আজিজুর রহমানের পরিচালনায় ১৩টি সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন রাজ্জাক। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘এ যুগের অনেকেই তার মতো হতে চান, কিন্তু তাদের স্থায়িত্ব কতটুকু?’

সুদর্শন নায়ক আলমগীরের সাথে রাজ্জাকের পরিচয় ১৯৭২ সালে ‘আমার জন্মভূমি’ সিনেমা দিয়ে। ঢালিউডে আসার আগে তিনি ভারতীয় উত্তম কুমার, দিলীপ কুমারদের মতো হতে চেয়েছিলেন।‘রাজ্জাকের জীবনটাই চলচ্চিত্রের মত’

আলমগীর বলেন, ‘এদেশের সিনেমায় অভিনয় করতে এসে বুঝলাম আমাকে আবদুর রাজ্জাক হতে হবে। তাই আমি উনাকে সব সময় ফলো করতাম। এখন পর্যন্ত তার চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

রাজ্জাকের সাথে বন্ধুত্বের শুরু নিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘রাজ্জাক ভাইয়ের সাথে প্রথম ছবি থেকে একটা বন্ধুত্বের সম্পর্ক হয়ে গেলো। আমাকে স্নেহ করতো। কিন্তু কখনো কাঁধে হাত দিয়ে কথা বলার সাহস হয়নি।’

আলমগীর আরো বলেন, ‘১৯৭২ থেকে ৯০ পর্যন্ত রাজ্জাক ভাইয়ের একটা জন্মদিনও আমি মিস করি নাই। এরপর থেকে পারি না। কারণ ওইদিন আমার মায়ের মৃত্যু দিন। আর সে খবরটা ভাইয়াই সবার আগে আমাকে দিয়েছিলেন।’‘রাজ্জাকের জীবনটাই চলচ্চিত্রের মত’

পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার বলেন, ‘রাজ্জাক ভাই আমাদের কাছে অভিভাবক তুল্য ছিলেন। তার সর্বশেষ জন্মদিনে লক্ষ্মী ভাবীসহ একটি সেলফি তুলেছিলাম। কে জানতো সেটিই হবে তার সাথে আমার শেষ ছবি।’

ক্যামেরাম্যান সমিতির সভাপতি আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘তিনি টেকনিশিয়ানদের কদর করতে জানতেন।’

এবিএন/শংকর রায়/জসিম

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত