বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ৯ ফাল্গুন ১৪২৫
logo
feb18  
  • হোম
  • রাজনীতি
  • সরকার ও ইসির যোগসাজশে ডিএনসিসি নির্বাচন স্থগিত : মওদুদ

সরকার ও ইসির যোগসাজশে ডিএনসিসি নির্বাচন স্থগিত : মওদুদ

সরকার ও ইসির যোগসাজশে ডিএনসিসি নির্বাচন স্থগিত : মওদুদ
ঢাকা, ১৯ জানুয়ারি, এবিনিউজ : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ নিয়ে রাষ্ট্র পক্ষের নীরবতায় প্রমাণ করে উপনির্বাচন স্থগিতে সরকারের ইঙ্গিত ও যোগসাজশ রয়েছে। আজ শুক্রবার রাজধানীতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে ‘জাগপা ছাত্রলীগ’ এর ৭০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এই আলোচনা সভা হয়।
 
তিনি বলেন, সরকার যদি সত্যিকার অর্থে নির্বাচন চাইতেন এবং স্থগিতাদেশ স্থগিত করার জন্য তাহলে তারা আপিল বিভাগে যেতেন এবং দরখাস্ত করে পরেরদিনই তা স্থগিত চাইতেন। তাহলে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত হয়ে যেতো এবং নির্বাচন হয়ে যেতো। কিন্তু এখন তারা হাত-পা গুটিয়ে ফেলেছেন। এমন একটা ভাব যে এই স্থগিত আদেশ একটা স্থায়ী বিষয় যে, এটার বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না। 
 
এতেই প্রমাণিত হয় যে, সরকার এবং নির্বাচন কমিশন (ইসি) যোগ-সাজশে এই নির্বাচন স্থগিত করার ব্যাপারে তারা একমত এবং ওই আদেশের বিরুদ্ধে তারা কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নাই। এই ব্যাপারে তারা একই যাত্রার যাত্রী। তারা হেরে যাবেন বলেই এই কাজগুলো করেছেন। সুতরাং সরকার এবং ইসি একই পথের যাত্রী। তারা হেরে যাবে বলেই নির্বাচন স্থগিত করার নীলনকশা করেছে।
 
ডিএনসিসি নির্বাচন প্রসঙ্গে মওদুদ আহমদ বলেন, এখনো নির্বাচন চাইলে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করতে পারেন। তাহলে আপনারা যান না কেনো? সুতরাং আগামী নির্বাচনে কী হতে যাচ্ছে- এটা এখন দেশের মানুষ নিশ্চয় অবগত রয়েছেন।
 
অ্যাটর্নি জেনারেলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সাবেক এই আইনমন্ত্রী বলেন, এই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ব্যাপারে সরকার বলছেন যে, এতে তাদের কোনো ভুমিকা নেই। এটা আদালত করেছে। আসলে আপনারা হয়ত জানেন না এবং কোনো কাগজেও এখন পর্যন্ত দেখিনি। আপনাদের জানাচ্ছি যে, আমাদের যিনি বর্তমানে অ্যাটর্নি জেনারেল তিনি অত্যন্ত কর্মতৎপর একজন ব্যক্তি। তার দল ও সরকারের স্বার্থ রক্ষা করবার জন্য এমনকি ইউনিয়ন পরিষদের কোনো চেয়ারম্যান বা মেম্বারের ব্যাপারে আদালতে হাজির হন।
 
আমার প্রশ্ন হলো- সিটি করপোরেশনের মতো এতো বড় একটা গুরুত্বপূর্ণ মামলায় প্রথমদিন শুনানি হলো। বললেন রাষ্ট্রপক্ষের অ্যাটর্নি জেনারেল আসবেন। কিন্তু তিনি আসলেন না। সেজন্য আদালত বললেন, ঠিক আছে আগামী দিনে আদেশের জন্য রাখছি। আমরা তার বক্তব্য শুনতে চাই। তার পরের দিন আদেশের জন্য মামলা যথন উত্থাপিত হলো তখন অ্যাটর্নি জেনারেল আর আসলেন না। তাকে খবর দেয়া হলো। আদালত অপেক্ষা করেছিলো তার আগমনের জন্য। কিন্তু তিনি আসলেন না। তার অর্থ কী? এর অর্থ হলো সরকার চেয়েছে যে, এই স্থগিত আদেশ দিয়ে দিক। যার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেল যাননি।
 
সংগঠনের সভাপতি সাইফুল আলমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় জাগপা সভানেত্রী অধ্যাপক রেহানা প্রধান, সহসভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুর রহমান আসাদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
 
এবিএন/মমিন/জসিম

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত