শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১২ ফাল্গুন ১৪২৫
logo
feb18  
  • হোম
  • শিক্ষাঙ্গন
  • ছাত্রলীগের ‘নিপীড়নের’ প্রতিবাদে ঢাবি প্রক্টর কার্যালয় ঘেরাও

ছাত্রলীগের ‘নিপীড়নের’ প্রতিবাদে ঢাবি প্রক্টর কার্যালয় ঘেরাও

ছাত্রলীগের ‘নিপীড়নের’ প্রতিবাদে ঢাবি প্রক্টর কার্যালয় ঘেরাও
ঢাকা, ১৭ জানুয়ারি, এবিনিউজ : সরকারি সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিলের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর ছাত্রলীগের ‘নিপীড়নের’ প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছে আন্দোলনকারীরা।
 
তাদের দাবি, নিপীড়নে জড়িত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বহিষ্কার করতে হবে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে ‘হামলার’ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং আন্দোলনকারীদের নেতা মশিউর রহমান সাদীকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানাচ্ছে তারা। 
 
আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করে। সেখান থেকে বেলা ১টা দিকে তারা মিছিল নিয়ে প্রক্টর অফিস ঘেরাও করেন। প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা আন্দোলনকারীদের ঘেরাওয়ের মধ্যে আটকে থাকার পর বেলা সাড়ে ৪টার দিকে প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রব্বানী আলোচনার জন্য শিক্ষার্থীদের নিয়ে উপাচার্যের কার্যালয়ের যান।
 
ঢাকার সাত কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্ভুক্তির প্রতিবাদে গত কয়েকদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন একদল শিক্ষার্থী। ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী’ব্যানারে আন্দোলনকারী এই শিক্ষার্থীদের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির ছাত্র মশিউর।
 
সোমবার এই শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিলে সেথান থেকে মশিউরকে ভেতরে ঢুকিয়ে নেন ছাত্রলীগের নেতারা। পরে তাকে নেওয়া হয় শাহবাগ থানায়।
 
 সেদিন ‘হামলাকারী’ ছাত্রলীগ কর্মীরা ছাত্রীদের নিপীড়ন করে বলেও  আন্দোলনকারীদের অভিযোগ। এর প্রতিবাদেই বুধবার তাদের এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভের কর্মসূচি ছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন বাম সংগঠনের নেতাকর্মীদেরও এ কর্মসূচিতে দেখা যায়।
 
আন্দোলনকারীরা প্রক্টর অফিস ঘেরাও করার পর ভেতর থেকে ফটকে তালা দেওয়া দেখে তা ভেঙে ফেলেন। পরে প্রক্টর তার কক্ষ থেকে বেরিয়ে এসে কলাভবনের গেইটে উত্তেজিত ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলেন। শিক্ষার্থীরা এ সময় তাদের তিন দফা দাবি প্রক্টরের সামনে তুলে ধরেন। কেউ কেউ তার পদত্যাগের দাবিতে স্লোগানও দেন।
 
আন্দোলনে থাকা গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী মাসুদ আল মাহাদী বলেন, “যৌন নিপীড়নের দায়ে সোহান, সানী ও আল-আমিনকে এখনই বহিষ্কার করতে হবে। ছাত্র প্রতিনিধিদের নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে। আর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে হবে। নইলে প্রক্টরকে পদত্যাগ করতে হবে।”
 
এবিএন/মমিন/জসিম

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত