logo
বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০১৮
 
  • হোম
  • আদালত
  • আপন জুয়েলার্সের তিন মালিকের জামিনের রায় বৃহস্পতিবার
অর্থপাচার মামলা

আপন জুয়েলার্সের তিন মালিকের জামিনের রায় বৃহস্পতিবার

আপন জুয়েলার্সের তিন মালিকের জামিনের রায় বৃহস্পতিবার

ঢাকা, ১৩ ডিসেম্বর, এবিনিউজ : অর্থপাচার মামলায় আপন জুয়েলার্সের তিন মালিক দিলদার আহমেদ সেলিম, গুলজার আহমেদ ও আজাদ আহমেদকে জামিন প্রশ্নে রুলের শুনানি শেষ হয়েছে।

আজ বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে রায়ের জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দিন ও ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।  রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফরহাদ আহমেদ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ মাহমুদ মোর্শেদ।

পরে ইউসুফ মাহমুদ মোর্শেদ বলেন, আজকে শুনানি শেষ হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে আদেশ দেয়া হবে।  এর আগে ২২ নভেম্বর আপন জুয়েলার্সের মালিকদের কেন জামিন দেয়া হবে না-তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট।

আমিন উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, একটি সোনার দোকানকে কেন্দ্র করে শুল্ক আইনে নোটিস দেয়া হযেছিল, সেখানে চোরাচালানের অভিযোগের কথাও বলা ছিল।  সেই নোটিশ পেন্ডিং থাকা অবস্থায় মামলা করেছে।  কিন্তু এটা অর্থ পাচার আইনের বিষয় নয়।  ব্যবসার সুনাম নষ্ট করার জন্য এই মামলা করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বহুল আলোচিত রাজধানীর বনানীতে দুই তরুণীকে ধর্ষণের মামলায় গত মে মাসে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন দিলদারের ছেলে সাফাত আহমেদ।  সাফাতের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড়ের মধ্যে আপন জুয়েলার্সের অবৈধ লেনদেনের তদন্তে নামে শুল্ক গোয়েন্দারা।  গত ৪ জুন শুল্ক বিভাগ আপন জুয়েলার্সের ডিএনসিসি মার্কেট, উত্তরা, মৌচাক, সীমান্ত স্কয়ার ও সুবাস্তু শাখা থেকে প্রায় ১৫ মণ স্বর্ণ ও ৪২৭ গ্রাম হীরা জব্দ করে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেয়।  জব্দকৃত এসব স্বর্ণালংকারের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় গত ১২ আগস্ট  শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর মুদ্রাপাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগে দিলদার ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে গুলশান, ধানমণ্ডি, রমনা ও উত্তরা থানায় পাঁচটি মামলা করে।  এসব মামলায় চলতি বছরের ২২ ও ২৩ অক্টোবর ওই তিন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

অভিযোগে বলা হয়, চোরাচালানের মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে স্বর্ণালংকার এনে এর অর্থ অবৈধভাবে বিদেশে পাঠানো হয়েছে।  পাশাপাশি অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদের সঠিক পরিমাণ তারা আয়কর বিবরণীতে উল্লেখ করেননি।  

অর্থপাচারের তিন মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর গত ২৪ অক্টোবর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন আপন জুয়েলার্সের তিন মালিক তিন সহোদর।  এরপর থেকে কারাগারে আছেন তারা। নিম্ন আদালতে জামিন না পেয়ে তিন সহোদর হাইকোর্টে আসেন।

এবিএন/জনি/জসিম/জেডি

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত