logo
বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০১৮
 
  • হোম
  • রাজনীতি
  • বিএনপি নির্বাচনে আসতে বাধ্য হবে : ওবায়দুল কাদের

বিএনপি নির্বাচনে আসতে বাধ্য হবে : ওবায়দুল কাদের

বিএনপি নির্বাচনে আসতে বাধ্য হবে : ওবায়দুল কাদের
যশোর, ১২ ডিসেম্বর, এবিনিউজ : রাজনৈতিক অস্তিত্বকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে না চাইলে বিএনপিকে অবশ্যই আগামী নির্বাচনে আসতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
 
আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে আওয়ামী লীগের সদস্য সংগ্রহ অভিযানে অংশগ্রহণের জন্য সাতক্ষীরায় যাওয়ার পথে যশোরের রাজারহাটে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচনে আসুক। নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হোক, এটাই আমরা চাই। আইনগতভাবে নির্বাচন কারো জন্য থেমে থাকে না। নির্বাচনের ট্রেন চলবেই। নির্বাচনের ট্রেন, গণতন্ত্রের যাত্রা কোনোভাবেই ব্যাহত হওয়ার সুযোগ নেই।
 
তিনি বলেন, বিএনপি না এলে নির্বাচন তো বন্ধ থাকবে না। বিএনপি না এলে গণতন্ত্রের কী দোষ। এবার নির্বাচনে না আসার কোনো সুযোগ বিএনপির নেই। নির্বাচনে তাদের আসতেই হবে।
 
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যদি রাজনৈতিক অস্তিত্বকে তারা (বিএনপি) আরও ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে না চায়, তা হলে নির্বাচনে আসা তাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। এটাকে তারা পাশ কাটিয়ে যেতে পারে না, কারণ তারা আরও সংকুচিত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে যাবে।’
 
তিনি বলেন, ‘বিএনপির দুর্নীতির কেচ্ছা-কাহিনীর থলের বিড়াল মিউ করে বেরিয়ে আসছে। কাতার-সৌদি আরবে তাদের দুর্নীতির খবর প্রকাশ হয়েছে। কানাডার আদালত তো রায় দিয়েছেন তারা ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’। তারেক রহমান ও প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর দুর্নীতির রায়ও হয়েছে। বাংলাদেশের আদালতেও অর্থপাচার মামলায় তারেক রহমানের সাজা হয়েছে। এগুলোকে বিএনপি কী অস্বীকার করতে পারবে? কানাডা-সিঙ্গাপুরের আদালতের রায়কে কী তারা অস্বীকার করতে পারবে?’
 
প্রশ্ন রেখে মন্ত্রী বলেন, ‘শুধু দুর্নীতি না, বিএনপির এক নেতাকে কানাডা আশ্রয় দিতে রাজি হয়নি। তারা বলেছে- বিএনপি একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। তাদের আশ্রয় দেওয়া যাবে না। কানাডা কী আমাদের সরকারের আদালত? নাকি সরকারি হস্তক্ষেপে এই রায় দিয়েছে দেশটি?’
 
তিনি আরও বলেন, ‘কয়েক দিন আগে একটি পত্রিকায় খবর বেরিয়েছে- ঢাকা শহরের কিলার গ্রুপ নিয়ন্ত্রণ করছে বিএনপির সুইডেন প্রবাসী এক নেতা। দুই বছর আগে সুইডেনে পাঠিয়ে দেওয়া ওই নেতা ঢাকা শহরের কিলার নিয়ন্ত্রণ করছে। দেশে খুন-গুমের সঙ্গে বিএনপি নেতার ওই কিলিং গ্রুপ জড়িত কিনা আমাদের ঘোরাতর সন্দেহ হচ্ছে।’
 
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এস এম কামাল, যশোর-২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মনিরুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, সাধারণ সম্পাদক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদারসহ সড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা।
 
এবিএন/সাদিক/জসিম/এসএ

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত