logo
বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭
bijoy
  • হোম
  • জাতীয়
  • রোহিঙ্গাদের নিরাপদে প্রত্যাবাসনের পরিস্থিতি হয়নি: জাতিসংঘ

রোহিঙ্গাদের নিরাপদে প্রত্যাবাসনের পরিস্থিতি হয়নি: জাতিসংঘ

রোহিঙ্গাদের নিরাপদে প্রত্যাবাসনের পরিস্থিতি হয়নি: জাতিসংঘ
ঢাকা, ২৪ নভেম্বর, এবিনিউজ: রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিরাপদে প্রত্যাবাসনের মতো পরিস্থিতি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের উত্তরাঞ্চলে এখনও হয়নি বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর।
 
রাখাইনে সেনাবাহিনীর দমন-পীড়নের মুখে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সম্মতিপত্র সইয়ের পরদিন এক বিবৃতিতে একথা বলেছেন সংস্থাটির মুখপাত্র আদ্রিয়ান এডওয়ার্ড।
 
জেনেভায় ইউএনএইচসির সদরদফতর থেকে দেয়া ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এখনও মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে (রোহিঙ্গাদের) ফেরার জন্য নিরাপদ ও স্থায়িত্বশীল পরিস্থিতি নেই। সেখান থেকে মানুষ এখনও পালিয়ে আসছে। রোহিঙ্গাদের বেশিরভাগেরই ফিরে যাওয়ার জন্য কোনো ধরনের সংস্থান নেই। তাদের ঘরবাড়ি ও গ্রাম ধ্বংস হয়ে গেছে। উত্তর রাখাইনে মানবিক সহায়তা পাওয়ার কোনো অধিকার এখনও নেই।
 
গত ২৫ আগস্ট থেকে রাখাইনে 'নিরাপত্তা অভিযানের' নামে রোহিঙ্গাদের ওপর দমন-পীড়ন শুরু করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। এ অভিযানকে এরইমধ্যে জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র 'জাতিগত নিধনযজ্ঞ' বলে অভিহিত করেছে; যা আন্তর্জাতিক আইনে মানবতাবিরোধী অপরাধ। এরপর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৬ লাখের মতো রোহিঙ্গা প্রাণ বাঁচাতে রাখাইন থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে।
 
এছাড়া আগে থেকেই পাঁচ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা কক্সবাজারে অবস্থান করছে। এতে বাংলাদেশ আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গার সংখ্যা সাড়ে ১১ লাখ ছাড়িয়েছে। রাখাইনে শত শত বছর ধরে বসবাস করে এলেও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে নিজেদের নাগরিক মনে করে না মিয়ানমার।
 
আগামী দুই মাসের মধ্যে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হবে—এমন আশাবাদের মধ্যে বৃহস্পতিবার সকালে মিয়ানমারের রাজধানী নেপিদোতে বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ও মিয়ানমারের পক্ষে স্টেট কাউন্সিলর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী অং সান সু চির দপ্তরের মন্ত্রী কিয়া তিন্ত সোয়ে ওই সম্মতিপত্রে সই করেন।
 
ইউএনএইচসিআরের মুখপাত্র আদ্রিয়ান এডওয়ার্ড শুক্রবার জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে মিয়ানমারের সম্মতিপত্রে কী রয়েছে—তা এখনও তারা দেখেননি।
 
তবে সহিংসতার শিকার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর রাখাইনে প্রত্যাবাসনের বিষয়টি যেন স্বেচ্ছায় ও নিরাপদে হয় তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি।
 
ইউএনএইচসিআরের মুখপাত্র বলেন, শরণার্থীদের নিজ দেশে ফেরা একটি অধিকার। সে ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী শরণার্থীদের অধিকার সুরক্ষিত হলে তা গ্রহণযোগ্য হবে। প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় অবশ্যই আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে হবে এবং এ ব্যাপারে আমরা সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
 
এবিএন/মমিন/জসিম

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত