logo
রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭
bijoy

চলনবিলের শুঁটকি পল্লীতে মাছ শুকানোর ধুম

চলনবিলের শুঁটকি পল্লীতে মাছ শুকানোর ধুম

সিরাজগঞ্জ, ২৩ নভেম্বর, এবিনিউজ : সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার চলনবিল এলাকার মহিষলুটি শুটকি পল্লীতে পরেছে এখন বিভিন্ন প্রজাতির মাছ শুকানোর ধুম। এ মাছ শুকেিয় শুটকি তৈরীতে স্থানীয় জেলেদের মধ্যে উৎসবের আমেজ শুরু হয়েছে।

জানা গেছে, চলতি বছরের সেপ্টমবর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে ঐতিহাসিক চলনবিলে জেলেরা বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরার ধুম পড়ে যায়। এসব শুটকি তৈরী মাছের মধ্যে রয়েছে, পুটিঁ, টেংরা, গোছই, শৈল, পিছি বোয়াল, টাকি, বাতাসি, চেলা, চ্যাপলা উল্লেখযোগ্য। এসব মাছ এখন শুটকির জন্য প্রক্রিয়াজাত করণের কাজ চলছে।

এ বছরও লাখ লাখ টাকার শুটকি মাছ উৎপাদিত হচ্ছে এই এলাকায়। এ শুটকি তৈরীর কাজে নির্ধারিত মুজুরিতে এলাকার বহু নারী পুরুষ রাত দিন কাজ করছেন। এ বিষয়ে মহিষলুটি বাজার এলাকার শুটকি পল্লীর অনেক মালিক বলছেন, এ অঞ্চলে তাজা মাছের মূল্য কিছুটা কম থাকায় এবং মাছ প্রচুর আমদানি হওয়ায় মহিষলুটি আড়ৎ থেকে উল্লেখিত প্রজাতির মাছ কিনে শুটকি করছি।

মহিষলুটির সুস্বাদু শুটকি মাছের দেশজুড়ে এখন ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এখানকার উৎপাদিত শুটকি রংপুর, নীলফামারী, দিনাজপুর, রাজশাহী, চিটাগং ও রাজধানী ঢাকাসহদেশের বিভন্ন  দেশের বিভিন্ন স্থানে চাহিদা পূরণসহ বিদেশেও রপ্তানি করে লাখ লাখ টাকা আয় করছেন শুটকি ব্যবসায়ীরা।

বিগত বছরগুলোর চেয়ে চলনবিলে এ বছরে ব্যাপক মাছ ধরা পড়ছে। এ বছরেও শুটকি উৎপাদন করে দেশের বিভিন্ন জেলায় রপ্তানি করে শুটকি চাহিদা পুরণ করা হচ্ছে। শুটকি ব্যবসায়ী- গফুর, দেলবার উদ্দিনসহ  অনেকেই বলছেন, প্রায় ২০ বছর যাবৎ এ ব্যবসায় নিয়োজিত রয়েছি। প্রতি বছর প্রায় ৫ মাস আমরা এ ব্যবসা করে থাকি। এখানে মহিলা শ্রমিককে ২’শ টাকা থেকে ২২০ টাকা এবং পুরুষ শ্রমিকদের ৩’শ টাকা করে মুজুরি দেওয়া হয়।

এ বছরে আবহাওয়া মোটামুটি অনুক’লে থাকায় শুটকি উৎপাদননে লাভবান হওয়ার আশা করা হচ্ছে। আর্থিক সংকট থাকায় চাহিদা অনুযায়ী এই শুটকি ব্যবসা করতে হিমশিম খাচ্ছি। এ ব্যাপারে সরকারের আর্থিক সহযোগীতা পেলে এই লাভজনক ব্যাবসায় আরো প্রভাব বিস্তার ঘটবে বলে তারা উল্লেখ করেন।

এবিএন/তফিজ উদ্দিন/জসিম/এমসি

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত