logo
মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৭
bijoy

‘গণতন্ত্র অব্যাহত রাখতে ভবিষ্যতেও সেনাবাহিনী অবদান রাখবে’

‘গণতন্ত্র অব্যাহত রাখতে ভবিষ্যতেও সেনাবাহিনী অবদান রাখবে’
সাভার (ঢাকা), ২৩ নভেম্বর, এবিনিউজ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ দৃঢ় আশা প্রকাশ করে বলেছেন, দেশের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক ধারা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি জনকল্যাণমূলক কাজে ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
 
আজ বৃহস্পতিবার সাভার সেনানিবাসে মিলিটারি পুলিশ কোরের (সিএমপি) বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন-২০১৭, কোর পুনর্মিলনী এবং সিএমপি সেন্টার অ্যান্ড স্কুলকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
 
তিনি বলেন, ‘সেবা ও কর্তব্যপরায়ণতার মাধ্যমে সেনাসদস্যরা জনগণের শ্রদ্ধা, ভালোবাসা এবং সমগ্র জাতির আস্থা ও ভালবাসা অর্জন করেছে। দেশের জনকল্যাণমূলক কাজে ভবিষ্যতেও সেনাবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।’ ‘গণতন্ত্র অব্যাহত রাখতে ভবিষ্যতেও সেনাবাহিনী অবদান রাখবে’
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের স্বপ্ন বাস্তবায়নের ক্রমধারায় আজ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের গ-ি পেরিয়ে বিশ্ব দরবারে একটি সুশৃঙ্খল ও আধুনিক সেনাবাহিনী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
 
তিনি বলেন, আধুনিকায়ন ও পেশাদারিত্ব বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ ও উন্নয়নের এই ধারা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে এবং সেনাসদস্যদের আরও নিষ্ঠার সঙ্গে দেশমাতৃকার কাজে উদ্বুদ্ধ করবে।
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত আমাদের সেনাবাহিনী দেশের আস্থা ও গর্বের প্রতীক। দেশপ্রেমিক ও পেশাদার এই বাহিনী দেশের ভূখন্ড ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষার পাশাপাশি দেশের যেকোন প্রয়োজনে সর্বদাই সর্বোচ্চ আস্থা ও শৃঙ্খলার মাধ্যমে নিজেদের নিবেদিত করে।
 
বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের নাগরিকদের ফেরত নিতে আবারও দেশটির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা চাই, মিয়ানমারের প্রতি আমাদের আহ্বান,  তাদের নাগরিক তারা যেন দ্রুত ফেরত নিয়ে যায়।’
 
তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, আমাদের ওপর একটি বোঝা এসেছে। আমাদের প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার থেকে প্রায় ছয় থেকে ৭ লাখের মতো শরণার্থী আমাদের দেশে আশ্রয় নিয়েছে।’ ‘গণতন্ত্র অব্যাহত রাখতে ভবিষ্যতেও সেনাবাহিনী অবদান রাখবে’
 
মানবিক কারণে মিয়ানমারের এই নাগরিকদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়া হলেও তাদের ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।
 
তিনি বলেন, ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়’ এই নীতিকে সামনে রেখেই বাংলাদেশে এগিয়ে যাচ্ছে।
 
প্রধানমন্ত্রী প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছলে সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মুহম্মদ শফিউল হক এবং জিওসি অব আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড লেফটেন্যান্ট জেনারেল আজিজ আহমেদ তাকে স্বাগত জানান।
 
প্রধানমন্ত্রীকে সুসজ্জিত একটি সেনাদল রাষ্ট্রীয় সালাম জানায় এবং প্রধানমন্ত্রী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন।
 
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী পরিষদ সদস্যরা, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকী, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ, কর্নেল কমান্ড্যান্ট অব দ্য সিএমপি অ্যান্ড স্কুল মেজর জেনারেল মিয়া মুহম্মদ জয়নুল আবেদীন, সংসদ সদস্যরা, বিদেশি কূটনিতিক, উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা এবং সিএমপির কর্মরত কর্মকর্তা ও অবসরে থাকা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
 
এবিএন/সাদিক/জসিম/এসএ

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত