logo
রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭
bijoy

গণতন্ত্র ও কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি ম্যানানগাগওয়ার

গণতন্ত্র ও কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি ম্যানানগাগওয়ার
ঢাকা, ২২ নভেম্বর, এবিনিউজ : মুগাবে শাসনের অবসানের পর নতুন গণতন্ত্রের বিকাশ এবং কর্মসংস্থানের আশ্বাস দিয়েছেন জিম্বাবুয়ের নতুন নেতা এমারসন ম্যানানগাগওয়া।
 
আগামী শুক্রবারই তিনি দেশটির নতুন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে সরকারি গণমাধ্যম।
 
দেশে ফিরে সমর্থকদের উদ্দেশে এক ভাষণে তিনি ধন্যবাদ দেন সেনাবাহিনীকে এবং সকলের সহযোগিতার আহ্বান জানান।
 
দক্ষিণ আফ্রিকায় আত্মগোপন শেষে বুধবার দেশে ফিরে রাজধানী হারারেতে সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বক্তৃতায় তিনি অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের কথা বলেন।
 
ম্যানানগাগওয়া বলেন, ‘আমি আপনাদের সেবক হবার অঙ্গীকার করছি। আমি সকল দেশপ্রেমিক জিম্বাবুইয়ানদের একতাবদ্ধ হবার আহ্বান জানাই। আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করব। এখানে কেউই কারো চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ নন। আমাদের পরিচয় আমরা জিম্বাবুয়ের নাগরিক। আমরা আমাদের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে চাই, দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনতে চাই। আমরা চাই কাজ, কাজ এবং কাজ।’
 
ম্যানানগাগওয়ার বেকারত্ব অবসানের এই ঘোষণায় জানু-পিএফ পার্টির সদর দফতরের সামনে উল্লাসে ফেটে পরে জনতা।
 
ধারণা করা হয় দেশটিতে প্রায ৯০ শতাংশ মানুষ কর্মহীন।
 
সাবেক এই ভাইস প্রেসিডেন্ট আগামী শুক্রবারই রবার্ট মুগাবের স্থলাভিষিক্ত হয়ে নতুন প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সরকারি টেলিভিশন।
 
ক্ষমতাসীন দল জানু-পিএফ পার্টির একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন যে ৭১ বছর বয়সী নতুন এই নেতা ২০১৮ সেপ্টেম্বরের সাধারণ নির্বাচনের আগ পর্যন্ত রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকছেন।
 
মুগাবে এমারসন ম্যানানগাগওয়াকে চাকরিচ্যুত করলে দেশটির নিয়ন্ত্রণ নেয় সেনাবাহিনী।
 
মুগাবের ৩৭ বছরের শাসনের অবসান হলে দেশে ফেরার আগে জিম্বাবুয়ের ভবিষ্যৎ প্রেসিডেন্ট দেখা করেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট জ্যাকব জুমার সঙ্গে।
 
তার বক্তৃতায় ম্যানানগাগওয়া ধন্যবাদ জানান জিম্বাবুয়ের সেনাবাহিনীকে।
 
একই সঙ্গে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তার পার্শ্ববর্তীদেশ, আফ্রিকান কমিউনিটি এবং বহির্বিশ্বের সহায়তার প্রয়োজনের কথাও জানান।
সূত্র : বিবিসি
 
এবিএন/সাদিক/জসিম/এসএ

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত