শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১২ ফাল্গুন ১৪২৫
logo
feb18  
  • হোম
  • বিনোদন
  • স্ত্রী কে ডিভোর্স দিতে চেয়েছিলেন সালমান শাহ

স্ত্রী কে ডিভোর্স দিতে চেয়েছিলেন সালমান শাহ

স্ত্রী কে ডিভোর্স দিতে চেয়েছিলেন সালমান শাহ
ঢাকা, ২০ নভেম্বর, এবিনিউজ : স্ত্রী সামিরাকে ডিভোর্স দিতে চেয়েছিলেন সালমান শাহ  । সালমান শাহর মামা কুমকুম দাবি করেন পারিবারিক কলহের জেরেই সালমান শাহকে হত্যা করা হয়েছে । সোমবার আদালতে আলমগীর কুমকুম জানান, সালমান শাহ মৃত্যুর আগের দিন আমাকে ফোন করে বলে মামা আমি সামিরাকে ডিভোর্স দিবো আপনি বাসায় আসেন। আমি বলি মামা মাথা গরম করো না, কি হয়েছে? সালমান শাহ বলে ওর সাথে আর সংসার করা সম্ভব না। আমার কাছে সামিরার বিষয়ে আপত্তিকর প্রমাণ আছে। আপনি আসেন দেখাবো।স্ত্রী কে ডিভোর্স দিতে চেয়েছিলেন সালমান শাহ
পরের দিনই শালমান শাহর আত্মহত্যার সংবাদ পাই।  তিনি আরো বলেন এটি একটি পরিকল্পত হত্যাকাণ্ড ।
গতকাল রোববার অপমৃত্যুর মামলায় সাক্ষী হিসেবে আদালতে এ বিষয়ে  জবানবন্দি দিয়েছেন আলমগীর কুমকুম।
মামলার তদন্ত সংস্থা পিবিআই আংশিক প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছেন আজ। মামলার আইনজীবী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলার সাক্ষীরা বর্তমানে হুমকির মধ্য আছে। আমরা থানায় জিডি করেছি।  অনেক সাক্ষীকে ঠিকানায় যেয়ে পাওয়া যাচ্ছে না।
আংশিক প্রতিবেদনে তদন্তে অগ্রগতির বিষয়ে অনেক দূর অগ্রগতি হয়েছে বলেও জানান তিনি। 
এদিকে, আজ সালমান শাহ’র কয়েকশ ভক্ত ন্যায্য বিচারের দাবিতে আদালতের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেন।স্ত্রী কে ডিভোর্স দিতে চেয়েছিলেন সালমান শাহ
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহ। ওই সময় এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা করেন তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী।
পরে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত করার আবেদন জানান তিনি। অপমৃত্যুর মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেন আদালত। সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনাটি তদন্ত করে ১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় সিআইডি। চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সালমান শাহর মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়। ২৫ নভেম্বর ১৯৯৭ ঢাকার সিএমএম আদালতে ওই চূড়ান্ত প্রতিবেদন গৃহীত হয়।  সিআইডির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী রিভিশন মামলা করেন।স্ত্রী কে ডিভোর্স দিতে চেয়েছিলেন সালমান শাহ
২০০৩ সালের ১৯ মে মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তে পাঠান আদালত। এরপর প্রায় ১২ বছর মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তে ছিল।
২০১৪ সালের ৩ আগস্ট ঢাকার সিএমএম আদালতের বিচারক বিকাশ কুমার সাহার কাছে বিচার বিভাগীয় তদন্তের প্রতিবেদন দাখিল করেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইমদাদুল হক।
এ প্রতিবেদনে সালমান শাহর মৃত্যুকে অপমৃত্যু হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী ছেলের মৃত্যুতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেন এবং বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দেবেন বলে জানান।
২০১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি নীলা চৌধুরী ঢাকা মহানগর হাকিম জাহাঙ্গীর হোসেনের আদালতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনের নারাজির আবেদন দাখিল করেন।
নারাজি আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ ১১ জন তার ছেলে সালমান শাহর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। আদালত নারাজি আবেদনটি মঞ্জুর করে র‌্যাবকে তদন্তভার প্রদান করেন।
মামলাটিতে র‌্যাবকে তদন্ত দেয়ার আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ গত বছরের ১৯ এপ্রিল মহানগর দায়রা জজ আদালতে একটি রিভিশন মামলা করেন।  পরে মামলার তদন্ত ভার পিবিআইয়ের হাতে অর্পণ করা হয়।
 
এবিএন/জসিম/নির্ঝর

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত