logo
মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭
 
  • হোম
  • আন্তর্জাতিক
  • রোহিঙ্গাদের হত্যা-ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার মিয়ানমার সেনাবাহিনীর

রোহিঙ্গাদের হত্যা-ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার মিয়ানমার সেনাবাহিনীর

রোহিঙ্গাদের হত্যা-ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার মিয়ানমার সেনাবাহিনীর
ঢাকা, ১৪ নভেম্বর, এবিনিউজ : মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়ে হওয়া একটি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। সেখানে এ সংকটের কোনো দায় নেয়নি সেনারা।
 
প্রতিবেদনে কোনো রোহিঙ্গাকে হত্যা, বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়া, নারীদের ধর্ষণ বা লুটপাটের বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করা হয়েছে।
 
বিবিসি বলছে, তাদের প্রতিবেদকরা রাখাইনে যা দেখেছে, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর এই প্রতিবেদনের সঙ্গে তা সাংঘর্ষিক। রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে দেশটির সেনাদের বর্বর অভিযানকে ‘জাতিগত নিধন’ বলে চিহ্নিত করেছে জাতিসংঘ। বহু আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও অধিকার সংস্থা রোহিঙ্গা পরিস্থিরি জন্য মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে দায়ী করেছে। কিন্তু এখন তারা সব দায় এড়িয়ে রোহিঙ্গাদের ঘাড়েই দোষ চাপাচ্ছে।
 
লন্ডনভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর এই প্রতিবেদন পরিকল্পিত ‘ধবলধোলাই’। রাখাইনে জাতিসংঘের বিভিন্ন স্তরের পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত দলকে প্রবেশের অনুমতি দিতে মিয়ানমারের ওপর আহ্বান জানিয়েছে অ্যামনেস্টি।
 
রাখাইনে রোহিঙ্গা গ্রামগুলোতে গণমাধ্যম কর্মীদের প্রবেশ করতে দেয়া হয় না বললেই চলে। যদি কোনো মিডিয়াকে প্রবেশের অনুমতি দেয়াও হয়, তবে তাদের হাতে কড়া নির্দেশিকা ধরিয়ে দেয়া হয়। নির্ধারিত সময়, স্থান ও লোকজন ছাড়া সাংবাদিকদের সেখানে যেতে দেয়া হয় না।
 
বিবিসির দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াবিষয়ক প্রতিবেদক জোনাথন হেড রাখাইন সফর শেষে যে প্রতিবেদন করেছিলেন, তাতে সেনবাহিনীর বর্বর নির্যাতনের তথ্য ও চিত্র উঠে এসেছিল। নিরাপত্তা বাহিনীর সামনে স্থানীয় বৌদ্ধরা রোহিঙ্গাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিচ্ছে- এমন চিত্রও পেয়েছিলন তিনি।
গত ২৫ আগস্ট রাখাইনে সহিংসতার পর রোহিঙ্গাদের ওপর নিধনযজ্ঞ শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। হত্যা ও ধর্ষণ থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে ৬ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা। জাতিসংঘ এই ঘটনাকে জাতিগত নিধনযজ্ঞের ‘পাঠ্যপুস্তকীয় উদাহরণ’ বলে উল্লেখ করেছে।
 
এবিএন/সাদিক/জসিম/এসএ

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত