logo
মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭
 
  • হোম
  • আদালত
  • আপন জুয়েলার্সের ৩ মালিকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

আপন জুয়েলার্সের ৩ মালিকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

আপন জুয়েলার্সের ৩ মালিকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, এবিনিউজ : অর্থপাচার প্রতিরোধ আইনের মামলায় আপন জুয়েলার্সের ৩ মালিক দিলদার আহমেদ, গুলজার আহমেদ ও আজাদ আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

আজ সোমবার রমনা থানায় দায়ের করা মামলায় ঢাকা মহাগর হাকিম মো. নুরনবী আসামি দিলদার আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

এর আগে গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় ঢাকা মহানগর হাকিম নুরন্নাহার ইয়াসমিন গুলশান থানায় দায়ের করা পৃথক দুই মামলায় অপর দুই আসামি গুলজার ও আজাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জরি করেন।

আদালত সূত্র জানায়, অর্থপাচারের এসব মামলায় আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিনে ছিলেন। কিন্তু আজ সোমবার ও রবিবার মামলার ধার্য তারিখে জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আইনজীবীর মাধ্যম সময় আবেদন ও জামিন চান তারা।

আদালত তা নাকচ করে আসামিদের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলায় এ পরোয়ানা জারি করেন।

উল্লেখ্য, গত ৬ মে বনানী থানায় ৫ জনকে আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা করেন ধর্ষণের শিকার হওয়া একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, এক পরিচিত ব্যক্তির জন্মদিনের পার্টিতে অংশ নিতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হন তারা। বনানীর রেইনট্রি হোটেলের দুটি কক্ষে আটকে রেখে তাদের ধর্ষণ করা হয়।
 
মামলার ৫ আসামি হলেন শাফাত আহমেদ, নাঈম আশরাফ, সাদমান সাকিফ, শাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও তার দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদ। শাফাত আহমেদ আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে।

এরপর আপন জুয়েলার্সের সোনা চোরাচালানের বিষয়ে তদন্তে নামে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতর। ৪ জুন শুল্ক বিভাগ আপন জুয়েলার্সের ডিএনসিসি মার্কেট, উত্তরা, মৌচাক, সীমান্ত স্কয়ার ও সুবাস্তু শাখা থেকে ১৫ মণ স্বর্ণ ও ৪২৭ গ্রাম হীরা জব্দ করে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেয়।

বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় ওই স্বর্ণালংকার জব্দ করা হয়। ওই স্বর্ণালংকার জব্দ করার ঘটনায় অর্থপাচারের অভিযোগে ১২ আগস্ট আপন জুয়েলার্সের তিন মালিকের বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা দায়ের করা হয়।

এর মধ্যে দিলদারের বিরুদ্ধে তিনটি ও অপর দুইজনের বিরুদ্ধে একটি করে মামলা রয়েছে। এর আগে ৮ জুন আপন জুয়েলার্সের ওই তিন মালিকের বিরুদ্ধে শুল্ক ফাঁকির পাঁচটি মামলা দায়ের করা হয়। এর মধ্যে দিলদারের বিরুদ্ধে তিনটি ও অপর দুইজনের বিরুদ্ধে একটি করে মামলা রয়েছে।

এবিএন/জনি/জসিম/জেডি

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত