logo
মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭
 
  • হোম
  • জাতীয়
  • ‘সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ে বিদেশিদের সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই’
‘রাজনীতির সত্য-মিথ্যা ও পদ্মা সেতুর অভিজ্ঞতা’ শীর্ষক আলোচনায় সভায় সজীব ওয়াজেদ জয়

‘সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ে বিদেশিদের সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই’

‘সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ে বিদেশিদের সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই’

ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, এবিনিউজ : সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ে বিদেশিদের সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য-প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। আজ সোমবার রাজধানীর লেকশোর হোটেলে সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের ‘রাজনীতির সত্য-মিথ্যা ও পদ্মা সেতুর অভিজ্ঞতা’ শীর্ষক আলোচনায় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

জয় বলেন, ‘অনেকে মনে করেন, বিদেশিরা যা বলে তাই ঠিক। আমরা তাদের ওপর নির্ভর করি। এটা ঠিক নয়। সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ে বিদেশিদের সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই।বিদেশিদের সার্টিফিকেট ছাড়া আমরা চলতে পারি। আমরা তাদের সমান সমান, কারও কম নয়।

এ সময় তিনি দেশের সুশীল সমাজের কড়া সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, ‘আমাদের সুশীলদের মধ্যে একটি শ্রেণি আছে তাদের কাজ সারা দুনিয়া ঘুরে বেড়ানো। দেশে এসে তাদের আর কোনো কাজ নেই। তারা এনজিও করে, সেমিনার করে, বক্তব্য দিয়ে বেড়ায়। এই এনজিও সেমিনার কার পয়সায় চলে? বিদেশিদের। এটা তাদের ব্যবসা। তারা হচ্ছে বিদেশিদের গোলাম। সমালোচনা না করলে তারা বিদেশ থেকে টাকা আনতে পারবে না। তাদের আয় বন্ধ হয়ে যাবে।’
‘সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ে বিদেশিদের সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই’
নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু করলে অর্থনীতিতে চাপ পড়বে বলে যারা মন্তব্য করেছিলেন তাদের সমালোচনা করে জয় বলেন, ‘যারা অক্সফোর্ডে পড়াশোনা করেছে, যারা ভালো করে বাংলা উচ্চারণ করতে পারে না তারা বলে এতে অর্থনীতিতে চাপ পড়বে। এটা কীভাবে বলে তারা?’

সুশীলদের উচ্চাভিলাসের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর ছেলে বলেন, ‘সুশীলদের একটা রূপ আছে, তারা মনে করে আমরা তো উচ্চ শিক্ষিত, ইংরেজি বলি, বিদেশিদের সঙ্গে খাতির, এত টাকা-পয়সা বানিয়েছি এখন দরকার ক্ষমতা। কিন্তু মানুষের ভালোবাসা ছাড়া ক্ষমতায় আসা যায় না।’

সুচিন্তা ফাউন্ডেশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পঁচাত্তরের পর থেকে যে অপপ্রচার এটা কিন্তু আগে মোকাবেলা হতো না। আমরা একটু লাজুক ছিলাম। এখন মিথ্যার মোকাবেলার জন্যই আমাদের জোর গলায় সত্যকে তুলে ধরতে হবে।’

জয় বলেন, ‘এমনও দেখেছি, নামকরা পত্রিকার এডিটোরিয়ালে লিখেছে আওয়ামী লীগ করেছে, কিন্তু এটা এত বলার কী দরকার। এর কারণ হলো তারা জানে আওয়ামী লীগ বলতে থাকলে তাদের কথা আর কেউ বিশ্বাস করবে না।’

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর দেশের অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে জানিয়ে জয় বলেন, ‘বিশ্বে আমাদের অর্থনীতি এখন ৩৩তম। কারণ আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। একের পর এক ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করছি। ষড়যন্ত্র কখনো শেষ হয় না। এটা রাজনীতির বাস্তবতা।
‘সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ে বিদেশিদের সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই’
প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ বলেন, যারা মানুষের ভোটে ক্ষমতায় আসতে পারবে না,তারা ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতায় আসতে চায়। এই যে সুশীল সমাজ তারা মনে করে, আমরা স্মার্ট, ভালো ইংরেজি বলতে পারি। টাকা কামিয়েছি বেশ। কিন্তু ক্ষমতায় তো যেতে পারছি না। তারা ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতায় যেতে চায়।

জয় বলেন, টাকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়া যায় না। ক্ষমতায় যেতে মানুষের ভালোবাসা প্রয়োজন।

এ সময় পদ্মা সেতু নিয়ে নানা মিথ্যাচারের কথা উল্লেখ করে জয় বলেন, মিথ্যার বিরুদ্ধে জোর গলায় সত্যকে তুলে ধরতে হবে। বারবার বলতে হবে।

তিনি বলেন, শোনা কথা বিশ্বাস করবেন না। লেখা কথা অর্ধেক বিশ্বাস করবেন।

এবিএন/জনি/জসিম/জেডি

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত