logo
বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৭
 
  • হোম
  • রাজনীতি
  • ‘উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সরকারের ধারাবাহিকতা প্রয়োজন’

‘উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সরকারের ধারাবাহিকতা প্রয়োজন’

‘উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সরকারের ধারাবাহিকতা প্রয়োজন’

ঢাকা, ১৯ অক্টোবর, এবিনিউজ : দেশের প্রতিটি এলাকার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সরকারের ধারাবাহিকতা প্রয়োজন। বিশ্ব মান দিবস উপলক্ষে তেজগাঁয়ে বিএসটিআই আয়োজিত ‘নান্দনিক নগরায়নে মান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, ‘বর্তমান সরকার পর পর দুই মেয়াদে ক্ষমতায় ছিল বলেই পদ্মা সেতু ও পায়রা সমুদ্র বন্দরের মতো উন্নয়নের মহাপরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে। দেশের প্রত্যেকটি এলাকায় উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। এ জন্যই সরকারের ধারাবাহিকতা প্রয়োজন।’

বিএসটিআই মিলনায়তনে সংস্থার মহাপরিচালক মো. সাইফুর হাবিবের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ও এফবিসিসিআই সভাপতি মো. শফিউল ইসলাম (মহিউদ্দিন)।
আমির হোসেন আমু বলেন, নগরবাসীর সকল সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে ঢাকাকে তিলত্তমা নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, নগরায়নের সাথে নির্মাণ ও সেবা শিল্পখাত ওতপ্রোতভাবে জড়িত। একটি নান্দনিক শহর গঠন করতে হলে পরিকল্পিতভাবে রাস্তা-ঘাট, নর্দমা, ফুটপাতসহ সকল সেবা খাত তৈরি করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, নগরভিত্তিক এসব সুবিধাদি নির্মাণে ইদানিং রি-ইনফোর্স কনক্রিট (আরসি) স্ট্রাকচার ব্যবহার হচ্ছে। এজন্য ব্যবহৃত উপকরণগুলো মানসম্মত হওয়া জরুরি। এজন্য বিএসটিআই’র মতো মাননির্ধারণী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল ও তৎপর হতে হবে।

তিনি বলেন, নগর উন্নয়নকে সহযোগিতা করার জন্য সরকার কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। হাজারীবাগ চামড়া শিল্পকে সাভারে স্থানান্তর করা হয়েছে। তেমনিভাবে পুরান ঢাকার কেমিক্যাল কারখানা ও দোলাইখালের লাইট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা শিল্প কারখানাগুলোকে শিগগিরই ঢাকার বাইরে স্থানান্তর করা হবে।
মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, একটি নান্দনিক ও স্মার্ট সিটি হিসেবে ঢাকাকে গড়ে তুলতে হলে নগরীর সচেতন মানুষদের আরো বেশি সচেতন হতে হবে। কারণ সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নগরীর উন্নয়নে যার যার মতো কাজ করে। কিন্তু উন্নয়নকে টেকসই করতে হলে মানুষের মনোজগতের পরিবর্তন জরুরি। তা না হলে কোন উদ্যোগই ফলপ্রসু হবে না।

তিনি বলেন, পারিবারিক বন্ধন, সামাজিক মূল্যবোধ ও ঐতিহ্য হচ্ছে ঢাকা নগরীর বৈশিষ্ট। একটি স্মার্ট নগরী গড়তে এসব বিষয়গুলো ভূমিকা রাখছে। এগুলোকে আরো বেশি কাজে লাগাতে হবে।

নগরীর হাজারো মৌলিক সমস্যা রয়েছে উল্লেখ করে মেয়র বলেন, এসব সমস্যার সমাধানে সিটি কর্পোরেশন আন্তরিকতার সাথে কাজ করছে। এসব কাজ সুষ্ঠুভাবে সমাধানে সকলের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।

বর্ষা মৌসুমে নগরীর ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা-ঘাট কয়েক মাসের মধ্যেই মেরামত করা হবে উল্লেখ করে সাঈদ খোকন বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের সময় নগরীর ৮৫ শতাংশ রাস্তার সমস্যা ছিল। এখন ৮৫ শতাংশ রাস্তার সমস্যা সমাধান হয়েছে। বাকী ১৫ শতাংশ রাস্তার সমস্যাও শিগগিরই সমাধান হবে। বাসস।
 

এবিএন/মমিন/জসিম

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত