logo
সোমবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৭
 

আমরা কি সবাই সুস্থ আছি

আমরা কি সবাই সুস্থ আছি

কামরুল হাসান বাদল, ১২ অক্টোবর, এবিনিউজ : আমরা তখন ছোট। অনেক কিছুই ভালো করে বুঝতে শিখিনি। মাঝেমধ্যে গ্রামে যেতাম। ১৯৭৪ সালে বাবা চাকরি থেকে অবসর নেওয়ায় আমরা স্থায়ীভাবে গ্রামে ফিরে যাই। সে সময়ের একটি ঘটনার কথা বলি। গ্রামে করিম নামে এক লোক ছিলেন। লোকে ডাকতো করিম পাগলা। মুখে দাড়ি। পরতেন লুঙ্গি ও কুর্তা। সে সময় গ্রামের মানুষের অভাব ছিল প্রকট। ১৯৭৪ সালে তা আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। করিম চুরি করতেন। তবে দামি কিছু নয়। কারো ঘরের বাইরে শুকাতে দেওয়া শাড়ি, লুঙ্গি বা গামছা, ভুল করে রাতে ঢোকায়নি, করিম সুযোগ পেলে তা চুরি করতেন এবং কোথাও বেচে দিতেন। মাঝেমধ্যে কারো রান্নঘরে ঢুকে রাতে ভাত–তরকারি যা পেতো খেয়ে ফেলতেন। কখনো কখনো দুয়েকটি থালা–বাসন বা ডেকচিও চুরি করতেন এবং বেচে দিতেন। গ্রামে কারো বাড়িতে এমন ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে খোঁজ পড়তো করিমের। তাকে বেঁধে আনা হতো এবং বেদম প্রহার করা হতো। করিমকে সেই সামান্য চুরির কারণে পেটানো হতো অত্যন্ত নিষ্ঠুরভাবে। তাকে রক্তাক্ত করে অর্ধ্বমৃত করে ক্ষ্যান্ত দিত অভিযোগকারীরা। আমরা ছোটরা দূর থেকে ওই নিষ্ঠুরতা দেখতাম। করিমকে মাটিতে, ধুলায় পড়ে থাকতে দেখতাম। তার ঠোঁট বেয়ে রক্তঝরা দেখতাম। আঘাতে চোখ ফোলা, ঠোঁট বেয়ে রক্ত ঝরা, শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে রক্ত বেরিয়ে আসা হতভম্ব, নির্বাক প্রতিবাদহীন করিমকে দেখতাম। আমাদের স্বজনদের, প্রতিবেশিদের এই নিষ্ঠুরতম কর্মযজ্ঞের পর নিস্তেজ, ভাবলেশহীন করিমের পাশে আমরা ছোটরা জটলা পাকাতাম। আমরা কেউ কেউ উঃ আহঃ করতাম। আমাদের কেউ কেউ তার প্রতি হাত বাড়াতাম। করিম বিরক্তি প্রকাশ করতেন। করিম কাঁদতেন না। এত অত্যাচারের পরও তিনি বসে থাকতেন। উদাস হয়ে একদিকে তাকিয়ে থাকতেন। করিম কথা বলতেন না। শুধু বিড়বিড় করতেন। করিম, আমরা শিশুদের সাথেও কথা বলতেন না।

সপ্তাহখানেক কিংবা মাসখানেক করিমকে দেখা যেত না। তারপর আবার ফিরে আসতেন গ্রামে। তারপর আবার কোথাও চুরি, আবার করিমকে বেঁধে আনা হতো। আবার সে নির্মম নির্যাতন। আবার রক্তাক্ত হতেন করিম। করিম কারো সাথে কথা বলতেন না। আমার বাবা এই নিষ্ঠুরতার প্রতিবাদ করতেন। মা করিমকে ভাত খেতে দিয়ে জিজ্ঞাস করতেন, করিম তুই চুরি করিস কেন? করিম কোনো কথার জবাব দিতেন না। করিম শুধু বিড় বিড় করতেন। এক সময় আমি শহরে চলে আসি। করিমের কথা ভুলে যাই। কখন করিমের মৃত্যু ঘটে, কীভাবে ঘটে তার খবরও আমি রাখি না। গ্রামের কেউ তেমন খবর রাখেনি।

একটি সময় এসে আমার করিমের কথা খুব মনে পড়ে। তার ওপর নির্যাতনের দৃশ্যগুলো চোখে ভাসতে থাকে। করিমের জন্য আমার ভীষণ মায়া হয়। কোনো মানুষকে, কোনো পটেকমার বা চোরকে মারতে দেখলে আমার করিমের কথা মনে হয়। আমি রক্তাক্ত, বিধ্বস্ত, নির্বাক করিমকে দেখতে পাই। আমার করিমের জন্য মায়া হয় যখন জানতে পারি এই দেশে, এই সমাজে, এই বিশ্বে এমন কোটি কোটি করিম আছেন। এরা বিভিন্ন প্রকার মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। কিংবা মানসিক সমস্যা নিয়েই জন্ম নিয়েছেন। মানুষের যে সমস্যার মতো মানসিক সমস্যা থাকতে পারে তা মানুষ জেনেছে খুব বেশি আগে থেকে নয়। ফলে হাজার হাজার বছর ধরে করিমদের মতো লোকরা সমাজে নিগৃহীত হয়েছে, অত্যাচারিত হয়েছে, নিষ্পেষিত হয়েছে। তাদের বোঝার চেষ্টা করেনি অন্যরা। তাদের তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করেছে। তাদের অনেকে পাগল বলে আখ্যা দিয়েছে। আমাদের সমাজটা বড় নিষ্ঠুর। একটি পাগলের সাথে, মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষের সাথে তথাকথিত সুস্থ মানুষের আচরণের মধ্যে ফুটে ওঠে আমাদের সামাজিক নিষ্ঠুরতার চিত্রটি। ফলে আমাদের সমাজ করিমদের মতো অসহায় লোকদের জন্য নিরাপদ নয়। করিম সুস্থ ছিলেন না। কোনো না কোনোভাবে তিনি মানসিক অসুস্থ ছিলেন। হয়ত মানসিক প্রতিবাদী ছিলেন। কিন্তু অজ্ঞতার কারণে কিংবা নিষ্ঠুরতার কারণে করিম ভালোভাবে বাঁচতে পারেননি।

কয়েক বছর আগের ঘটনা। কদম মুবারক মসজিদ এলাকায় এক বয়স্ক নারীকে দেখা গেল। হাতে পিঠে তার অনেক বোঝা। মাথার চুল জট পাকানো। এক নজর দেখেই বোঝা যায়। নারীটি মানসিক ভারসাম্যহীন। এ ধরনের মানুষের বেলায় যা ঘটে, এতিমখানার শিশুরা নানাভাবে উত্ত্যক্ত করা শুরু করে। এক সময় তা নির্যাতনের পর্যায়ে দাঁড়ায়। এমন একদিন সন্ধ্যার দিকে আমার স্ত্রী এ দৃশ্য দেখতে পেয়ে প্রতিবাদ করলেন। উত্ত্যক্তকারী শিশুদের শাসন করারও চেষ্টা করলেন। শিশুরা এতই মারমুখী ছিল যে, আশেপাশে দোকানের অনেকেই আমার স্ত্রীকেই বারণ করলেন, ঝামেলায় না জড়াতে। এদের অভিযোগ নারীটি ছেলেধরা।

কদম মুবারক এলাকা থেকে উদ্ধার পেলেও তার দু’দিন পরে নগরের বাকলিয়ার মাস্টারপুল এলাকায় মানসিক ভারসাম্যহীন নারীটিকে ছেলেধরা সন্দেহে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়। এমন ঘটনা অবশ্য বাংলাদেশে নতুন ও সর্বশেষ নয়। এখনো দেশের অনেক স্থানে ছেলেধরা সন্দেহে, ডাইনি সন্দেহে, চোর সন্দেহে পিটিয়ে মারার ঘটনা ঘটে। আমরা পাগল বলি, মানসিক ভারসাম্যহীন বলি, অটিজম বলি, সোশাল চাইল্ড যা–ই বলি না কেন এমন মানসিকভাবে পুরো সুস্থ না হওয়া মানুষ কিংবা শিশুদের প্রতি আমাদের সমাজ এখনো খুব বেশি সময় সহানুভূতিশীল হয়ে উঠতে পারেনি। আমরা মাত্র কিছুদিন থেকেই মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে সচেতন হয়ে ওঠার চেষ্টা করছি। এখন বিষয়টি রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে সমাজের সাধারণ স্তর পর্যন্ত আলোচিত হচ্ছে। সংবাদ মাধ্যমে প্রচারিত হওয়ার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে এই সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি হচ্ছে। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল অটিজম সচেতনতা নিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রচারণা চালানোর ফলে তাঁর নিজ দেশ বাংলাদেশেও বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। অটিজম বিষয়ে কাজ করে সায়মা ইতিমধ্যে বিশ্বব্যাপী সুনামও অর্জন করেছেন।

আমাদের মতো দেশে আমরা রোগ বলতে শারীরিক রোগকেই বুঝি। মানসিক রোগেরও যে চিকিৎসার দরকার সে প্রয়োজনটি আমরা অনেক সময় অনুধাবন করি না, গুরুত্ব প্রদান করি না। খুব সাধারণভাবে দেখলেও আমরা বুঝতে পারব, শারীরিক কোনো রোগের কারণে মানসিক সমস্যাও দেখা দিতে পারে। কিংবা মানসিক সমস্যার কারণেও অনেক সময় শারীরিক সমস্যা তৈরি হতে পারে। আমাদের অনেক শারীরিক রোগের কারণ হচ্ছে মানসিক অসুস্থতা। অর্থাৎ মনের রোগে আমরা শারীরিক অসুস্থতায় পতিত হচ্ছি।

মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার নানা রূপ ও স্তর আছে। মানসিক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি মাত্রই কিন্তু পাগল নন। অনেককে দেখে এবং প্রাথমিকভাবে মেলামেশা করেও বোঝা যায় না তার মানসিক অসুস্থতার বিষয়টি। গত ১০ অক্টোবর ছিল বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস। এ উপলক্ষে ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন ফর সেন্ট্রাল হেলথের (ডব্লিউএফএস এইচ) ‘কর্মক্ষেত্রে মানসিক স্বাস্থ্য’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে কর্মক্ষেত্রে প্রতি পাঁচজনে একজন মানসিক সমস্যায় ভোগেন। আর তাঁদের মধ্যে গুরুতর মানসিক অসুস্থতার জন্য ৮০ শতাংশ কাজ হারান। এসব মানুষ অনুপস্থিতি কর্মদক্ষতা হ্রাস, কাজে কম মনোযোগ, সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্ব এবং ভুলে যাওয়া সমস্যায় ভোগেন।

বেশ কয়েক বছর আগে একটি বহুজাতিক ওষুধ কোম্পানি বিজ্ঞাপন দিয়েছিল “বিষণ্নতা একটি রোগ।” তখন অনেকেই বিষয়টি কোম্পানির ওষুধ বিক্রির কৌশল হিসেবে সমালোচনা করেছিলেন। এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে কর্মক্ষেত্রে ১০ শতাংশ কর্মী কেবল বিষণ্নতার কারণে যথাযথভাবে তাঁদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হন। তাঁদের মধ্যে ৯৪ শতাংশই কাজে মনোযোগ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও ভুলে যাওয়া সমস্যায় ভোগেন। এতে একজনের গড়ে ৩৬ কর্মদিবস নষ্ট হয়। ডব্লিউএফএসএইচ বলছে ‘মানসিক চাপের কারণে কর্মক্ষেত্রে কর্মীদের উপস্থিতি ও কর্মদক্ষতা কমে যায়। এতে আর্থিক ক্ষতি হয়। বিশ্বব্যাপী কর্মীর কর্মদক্ষতা বাড়াতে নানা নীতি গ্রহণ করা হলেও তাতে মানসিক স্বাস্থ্য গুরুত্ব পায় না। উন্নত বিশ্বে প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে গড়ে প্রায় ১০ শতাংশ কর্মী কেবল বিষণ্নতার কারণে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে না। কিন্তু এদের ৫০ শতাংশই চিকিৎসাসেবা নেন না। বাংলাদেশে ঢাকা–চট্টগ্রামের মতো কিছু শহরে মানসিক স্বাস্থ্য চিকিৎসার সুবিধা পাওয়া গেলেও অন্যান্য স্থানে বা প্রত্যন্ত এলাকায় এই সুবিধা অত্যন্ত সীমিত। অর্থাৎ বিশাল জনগোষ্ঠী এই সুবিধা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত। বরঞ্চ এসব ক্ষেত্রে পূর্ব সংস্কার, কুসংস্কার এবং অজ্ঞতা এই সমস্যাকে প্রকট করে তুলছে। অনেকে এজন্য ঝাড়ফুঁক, কবিরাজী, তাবিজ, পানিপড়া, তেলপড়া ইত্যাদির ওপর নির্ভর করে। দেশের অনেক রোগী বা তাদের স্বজনরা ধর্মীয় ও সনাতন পদ্ধতির চিকিৎসা গ্রহণ করে থাকেন। এই ধরনের রোগের চিকিৎসা করতে গিয়ে গ্রাম্য বৈদ্য বা মোল্লারা অনেকের মৃত্যুর কারণও হয়েছেন।

মানসিক বিষণ্নতা ছাড়াও মানসিক রোগের আরও প্রকারভেদ আছে। যেমন মানসিক প্রতিবন্ধী। মস্তিষ্কের ত্রুটিপূর্ণ বিকাশের ফলে সৃষ্ট অবনমিত বুদ্ধিমত্তা। এতে শৈশবকাল থেকেই বুদ্ধিমত্তার অভাব, বেড়ে ওঠার সময়কালে স্বল্প ও মন্থর মানসিক বিকাশ, খর্বিত শিক্ষণক্ষমতা এবং দুর্বল আচরণগত ও সামাজিক অভিযোজ্যতা দেখা দিতে পারে। এটি একটি স্থায়ী প্রতিবন্ধীতা, কিন্তু কোনো রোগ নয়। মানসিক প্রতিবন্ধী শিশুদের ভাষাগত, দক্ষতা অত্যন্ত দুর্বল এবং বিচার বিবেচনার ক্ষমতায়ও বিকেশিত হয় না। বুদ্ধগত ঘাটতির মাত্রানুসারে মানসিক প্রতিবন্ধী শিশুদের চারটি দলে ভাগ করা যায় মৃদু, মাঝারি, মারাত্মক ও সার্বিক। বর্তমানে বাংলাদেশে মানসিক প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষা ও বিকাশে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে অনেক সংগঠন কাজ করছে।

এর আরেকটি স্তর হচ্ছে সিজোফ্রোনিয়া। উদ্ভট চিন্তা, ভগ্নমনস্কতা, সামঞ্জস্যহীন আচরণ এবং আবেগ প্রবণতা ও বুদ্ধিমত্তার অবনতি এমন উপসর্গ প্রদর্শনকারী এক ধরনের মনোবিকার। বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারি মানসিক হাসপাতাল ও চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তিকৃত অধিকাংশ রোগীই সিজোফ্রোনিয়ায় আক্রান্ত। দেশের প্রায় তের লাখ লোক এই রোগে ভুগছে।

মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার জন্য রোগী নিজে দায়ী নয়। বিভিন্ন কারণে যে কোনো ব্যক্তি মানসিক রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে আমার পাশের মানুষটির প্রতি খেয়াল রাখা। তার আচরণ লক্ষ করা এবং প্রয়োজনে তার দিকে সাহায্যের হাত প্রসারিত করা। এমন পরিস্থিতিতে রোগী নিজে বুঝতে পারেন না তার সমস্যাগুলো। ফলে পরিবারের সদস্য, বাবা–মা, বন্ধু–স্বজন ও কর্মক্ষেত্রের সহযোগীদের উচিত এ বিষয়ে এবং এ সমস্যা উত্তরণে সাহায্য করা। অবহেলা কিংবা উপেক্ষা পরিস্থিতি জটিল করে তোলে।

আগের চেয়ে পরিস্থিতি কিছুটা পাল্টেছে। অনেকে বিষয়টিকে সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করতে অভ্যস্ত হয়েছেন। সমাজে এক সময় মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিদের পাগল বলে যে নির্দয় আচরণ করা হতো তা থেকে কিঞ্চিত পরিবর্তন বোধ হয় হচ্ছে। তবে তা যথেষ্ট নয়। এ ধরনের ব্যক্তিদের উত্ত্যক্ত করা, তাদের খেপিয়ে তোলা এবং তাদের আঘাত করা কখনোই ঠিক নয়। এ বিষয়ে শিশুরা খুব নির্দয় আচরণ করে। বড়দের উচিত এ বিষয়ে শিশুদেরও সচেতন করে তোলা এবং বিষয়টি পরিষ্কার করা। এই সমাজে এই রাষ্ট্রে করিমদেরও বাঁচার অধিকার আছে। আছে চিকিৎসা ও নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকারও। শিশুকালে করিমের ওপর নির্যাতনের যে ভয়াবহ দৃশ্য আমাকে দেখতে হয়েছিল আমি চাই না এ দৃশ্য যেন বাংলাদেশের কিংবা বিশ্বের কোনো শিশুর দেখার দুর্ভাগ্য হয়।

qhbadal@gmail.com
(সংগৃহীত)

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত