logo
বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭
bijoy
  • হোম
  • আন্তর্জাতিক
  • নির্বাচনের সময় রাশিয়া আমেরিকার বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ চালিয়েছিল: মর্গান ফ্রিম্যান

নির্বাচনের সময় রাশিয়া আমেরিকার বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ চালিয়েছিল: মর্গান ফ্রিম্যান

নির্বাচনের সময় রাশিয়া আমেরিকার বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ চালিয়েছিল: মর্গান ফ্রিম্যান
ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর, এবিনিউজ : হলিউডের প্রখ্যাত অভিনেতা মর্গান ফ্রিম্যান রুশ গণমাধ্যমের আক্রমণের লক্ষবস্তু হয়েছেন।
মি. ফ্রিম্যান একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন যাতে তিনি অভিযোগ করেন যে গত বছর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় রাশিয়ার সরকার আমেরিকার বিরুদ্ধে 'যুদ্ধ' চালিয়েছিল।
এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এই অস্কার পুরষ্কার বিজয়ী অভিনেতা রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যে কেজিবির সাবেক গুপ্তচর সেটি উল্লেখ করে অভিযোগ করছেন যে তিনি সাইবার যুদ্ধ চালাচ্ছেন এবং মিথ্যা তথ্য প্রচার করছেন।
আর সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের প্রতিশোধ নেয়ার জন্যই মি. পুতিন এই কাজ করেছেন বলে মি. ফ্রিম্যান উল্লেখ করেন।
ভিডিওতে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানান তিনি যেন ঘোষণা করেন: "গত নির্বাচনে আমরা রুশ সরকারের হামলার শিকার হয়েছিলাম।"
কমিটি টু ইনভেস্টিগেট রাশিয়া নামে একটি প্রতিষ্ঠান এই ভিডিওটি তৈরি করেছে।
মার্কিন ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির সাবেক পরিচালক জেমস ক্ল্যাপার এই সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদের একজন সদস্য।
 
কিন্তু রাশিয়ার সরকারি সংবাদমাধ্যমে মি. ফ্রিম্যানের প্রতি যতটা না ক্রোধ প্রকাশ করছে, তার চেয়েও বেশি দেখাচ্ছে করুণা।
তারা বলার চেষ্টা করছে রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য তাকে ভুল বোঝানো হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট পুতিনের প্রেস সচিব দিমিত্রি পেসকভ বলছেন, তারা এই ভিডিওটিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না।
রুশ টিভি চ্যানেল রোসিয়া ২৪ একদল মনোবিজ্ঞানীকে অনুষ্ঠানে হাজির করেছে।
তারা মতামত দিয়েছেন যে মি. ফ্রিম্যান ভগবানের মতো আচরণ করছেন এবং উল্লেখ করেন যে তার মাদকাসক্তি রয়েছে।
সেন্ট পিটার্সবার্গের টিভি চ্যানেল-৫ বলছে, মার্কিন প্রোপাগান্ডায় অংশ নিয়ে মর্গান ফ্রিম্যান লক্ষ লক্ষ রুশ ফ্যানকে হতাশ করেছেন।
ক্রেমলিনপন্থী সংবাদমাধ্যমও থেমে থাকেনি।
জনপ্রিয় ট্যাবলয়েড মস্কোভস্কি কমসোমোলেটস্ এই খবরের যে শিরোনাম করেছে তার নাম 'মর্গান ফ্রিম্যান'স ফিয়ার অ্যান্ড লোদিং"।
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটারেও মি. ফ্রিম্যানের বিরুদ্ধে নানা ধরনের বিষোদগার চলছে। সূত্র: বিবিসি বাংলা
 
এবিএন/ফরিদুজ্জামান/জসিম/এফডি

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত