logo
বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭
 

মাকে বেঁধে রেখে মেয়েকে গণধর্ষণ

মাকে বেঁধে রেখে মেয়েকে গণধর্ষণ

ঢাকা, ২০ আগস্ট, এবিনিউজ : নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় মাকে বাড়ির উঠানে বেঁধে রেখে মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষিতা ওই নারী তিন সন্তানের জননী। আজ রবিবার ভোররাতে ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের দুর্গম চর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ সকালে বাড়ি থেকে ১ কিলোমিটার দূরে মুমূর্ষু অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করেন এলাকাবাসী। নির্যাতনের শিকার ওই নারী জানান, তার মুখ বেঁধে ৩-৪ জন গণধর্ষণ করেছে। তবে কারা তাকে ধর্ষণ করেছে তাদের নাম বলতে পারেনি তিনি।

নির্যাতনের শিকার ওই নারীর মা বলেন, আমার জামাতা বাড়িতে না থাকায় আমি, মেয়ে ও তিন নাতি-নাতনিসহ এক সঙ্গে থাকতাম। আজ ভোররাতে প্রতিবেশী মিস্টার, রহিম, দেলওয়ার, চেতনাসহ ১০-১২ জন আমার মেয়ের ঢুকে তার হাত ও পা বেঁধে নিয়ে যায়।

তিনি বলেন, এ সময় তারা আমার মুখে কাপড় গুজে দিয়ে উঠানে রশি দিয়ে বেঁধে রাখে। আমার নাতনির চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসেন।

ওই নারীর বাবা অভিযোগ করেন, পার্শ্ববর্তী আবুল হোসেন, মোকলেছার রহমান, চাটি মামুদের সঙ্গে জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। আমার পরিবারের ক্ষতি করার জন্য তারা পরিকল্পিতভাবে আমার স্ত্রীকে বেঁধে রেখে মেয়েকে তুলে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে।

ডিমলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্মরত ডাক্তার কৃষ্ণা রানী সেন বলেন, দুপুর ২টায় ওই নারী ও তার মাকে ডিমলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান বলেন, এই ইউনিয়নের দুর্গম চরে মাকে বেঁধে রেখে মেয়েকে তুলে নেয়ার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনকে অবগত করা হয়েছে।

ডিমলা থানার এসআই শাহাবুদ্দিন বলেন, মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষার বিকাল ৩টায় জন্য পুলিশ পাহারায় নীলফামারী আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ডিমলা থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে।
 

এবিএন/মমিন/জসিম

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত