logo
বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭
 
  • হোম
  • অপরাধ
  • ১১১ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় কেয়া’র এমডি গ্রেপ্তার

১১১ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় কেয়া’র এমডি গ্রেপ্তার

১১১ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় কেয়া’র এমডি গ্রেপ্তার

ঢাকা, ২০ আগস্ট, এবিনিউজ :  জালিয়াতি করে ঋণের নামে কৃষি ব্যাংকের ১১১ কোটি ১৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলার পর কেয়া গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবদুল খালেক পাঠানকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

অাজ রবিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচা থেকে দুদক উপপরিচালক মো. সামছুল আলম তাকে গ্রেফতার করেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, গ্রেফতারের আগে সামছুল আলম বাদী হয়ে আবদুল খালেকসহ আট জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলার নম্বর-৩১।

মামলার অপর সাত আসামি হলেন- কেয়া ইয়ার্ন মিলসের চেয়ারম্যান ও আবদুল খালেকের মেয়ে মিসেস খালেদা পারভীন, আরেক মেয়ে কোম্পানির পরিচালক তানসিন কেয়া, কোম্পানির পরিচালক ও আবদুল খালেকের ছেলে মাছুম পাঠান, কৃষি ব্যাংক কাওরানবাজার শাখার সাবেক এসপিও মো. আবুল হোসেন, গোলাম রসুল, সাবেক এজিএম মো. সারোয়ার হোসেন, সাবেক ডিজিএম ও শাখা ব্যবস্থাপক মো. জুবায়ের মনজুর।

দুদক কর্মকর্তারা জানান, গ্রেফতারের পর আবদুল খালেককে রমনা মডেল থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। সোমবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

এজাহারে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে জালিয়াতির মাধ্যমে ঋণের নামে রাষ্টীয় মালিকানাধীন কৃষি ব্যাংকের কাওরানবাজার শাখা থেকে কেয়া গ্রুপের সহযোগী কোম্পানি কেয়া ইয়ার্ন মিলসের নামে ১১১ কোটি ১৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। এর মাধ্যমে আসামিরা দণ্ডবিধির ৪০৯/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/৪২০/১০৯ ধারা ও ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা লঙ্ঘন করেছেন; যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

এজাহারে আরও বলা হয়, কেয়া ইয়ার্ন মিলসের এমডি আবদুল খালেকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তুলা আমদানির নামে ব্যাংকটির কাওরানবাজার শাখা থেকে ঋণ হিসেবে ১১১ কোটি ১৪ লাখ ৬৫ হাজার ৩১ টাকা গ্রহণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে সাতটি ফোর্স লোনের বিপরীতে ১০৫ কোটি ৬৪ লাখ ৪০ হাজার ৯১৭ টাকা ও লোন অ্যাগেইনস্ট রিসিপ্টের (এলটিআর) বিপরীতে ৫ কোটি ৫০ লাখ ২৪ হাজার ১১৪ টাকা নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ওই টাকায় তুলা আমদানি করে সুতা তৈরি না করে খোলাবাজারে বিক্রি করে দেওয়া হয়। যথাসময়ে ব্যাংকের ঋণের টাকাও পরিশোধ করা হয়নি। একাধিকবার তাগিদ দেওয়ার পরও তারা পাওনা টাকা পরিশোধ করেননি। ব্যাংক ওই টাকাকে আত্মসাৎকৃত অর্থের পর্যায়ে ফেলেছে। এ সংক্রান্ত অভিযোগ দুদকে পেশ করা হলে সেটি অনুসন্ধান করে আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া যায়।

এবিএন/জনি/জসিম/জেডি

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত