logo
বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৭
 

ব্যর্থ বিপ্লবের পরিণতি: ফাঁসিতে তাহের

ব্যর্থ বিপ্লবের পরিণতি: ফাঁসিতে তাহের

শঙ্কর প্রসাদ দে, ১৭ জুলাই, এবিনিউজ : তাহেরের জন্ম ১৪/১২/১৯৩৮। মাত্র ৩৮ বছর বয়স্ক একজন বীরোত্তম খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা সেনাকর্মকর্তা হিসেবে তাহেরের মনস্তাত্বিক অবস্থা বিপ্লবের ভাগ্য নির্ধারণ করেছিল। এখন বারবার প্রশ্ন উঠছে ৭ নভেম্বর ১৯৭৬ তারিখটিকে বিপ্লবের ক্ষণ নির্ধারণ সঠিক ছিল কিনা। তাহের দেখলেন চরম অস্থিতিশীল ক্ষমতার দ্বন্দ্ব চলছিল মূলত সেনা নেতৃত্বকে ঘিরে। পাকিস্তানপন্থী ফারুক-রশিদ গংদের বিরুদ্ধে খালেদ-শাফায়াতের অভ্যুত্থান সেনাকমান্ডে বিপজ্জনক রেষারেষির জন্ম দেয়। অফিসারদের মধ্যে এসব ক্ষমতার দাবা খেলায় সাধারণ সিপাহীরা বিদ্রোহী হয়ে উঠেছিল। তবে ইতিহাস বলছে তাহেরের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রচলিত অফিসারভিত্তিক প্রথাগত সেনা কমান্ড বিলুপ্ত করে গণসামরিক বাহিনীর যে ছক তাহের এঁকেছিলেন, তার ভবিষ্যৎ কাঠামো সম্বন্ধে তখন অবধি পৃথিবীতে কোন মডেল ছিল না।

৬ নভেম্বর’৭৫ ঘড়ির কাঁটা ১২ টার ঘর পেরিয়ে গেছে। গণভবন থেকে ক্ষণস্থায়ী সেনাপ্রধান খালেদ মোশাররফ এবং ৪৬ ব্রিগেডের কমান্ডার শাফায়াত জামিল সংবাদ পেলেন, ঢাকা সেনানিবাস থেকে তাদেরকে উৎখাতের লক্ষ্যে পাল্টা অভ্যুত্থান শুরু হয়েছে। বিস্তারিত শুনে তারা নিশ্চিত হলেন যে, কর্নেল তাহেরের বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার নেতৃত্বে সিপাহীরা জেসিও থেকে উপরের দিকে অফিসারদের হত্যা করছে। তাদের অন্যতম স্লোগান ছিল ‘সিপাহী সিপাহী ভাই ভাই। জেসিও’র উপর অফিসার নাই’। জাসদ এবং কর্নেল তাহের প্রচলিত বুর্জোয়া ও সামন্ততান্ত্রিক রাষ্ট্রের সেনাকাঠামোর পরিবর্তে, একটি গণ সেনাবাহিনী কল্পনা করেছিলেন। এখন অবধি প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী তাহের গণ সেনাবাহিনীর মডেলটি পৃথিবীর সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব পরবর্তী একটি মডেল হিসেবে উপস্থাপন করতে চেয়েছিলেন। সেনা কমান্ডের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালেদ মোশাররফ এবং সাফায়াত জামিল গণভবন ত্যাগ করার সাথে সাথে ৩-৭ নভেম্বর পর্যন্ত মাত্র ৫ দিনে এক রক্তপাতহীন সেনা সরকারের পতন ঘটে। চরিত্রের দিক থেকে খালেদ মোশারফ মোটামুটি মুক্তিযুদ্ধ-ভারত-আওয়ামীপন্থী সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন। তাহের জিয়াকে গৃহবন্দীত্ব থেকে মুক্ত করার সাথে সাথে জিয়া পুনরায় অঘোষিতভাবে সেনাপ্রধান পদে অধিষ্ঠিত হলেন। কিন্তু তাহের যে বিপ্লবী সরকারের স্বপ্ন দেখেছিলেন, জিয়াউর রহমান প্রথমে তাতে রাজি হলেন। খালেদ মোশারফ কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারপতি সায়েমকে প্রেসিডেন্ট পদে বহাল রেখে জিয়া বেশ কয়েকদিন অগ্রসর হয়ে দেখলেন, তাহেরের সৈনিক সংস্থা নাছোড়বান্দা। সেনানিবাসের একাধিক অভ্যুত্থান প্রচেষ্টার সাথে তাহেরের

সিপাহীরা জড়িত থাকায় স্পষ্ট হয়ে উঠল, জিয়া চাইছেন বুর্জোয়া সেনা কাঠামো এবং তাহের চাইছেন বিপ্লবের মাধ্যমে প্রচলিত অফিসারবিহীন একটি সেনা কাঠামো। ২৪ নভেম্বর’৭৫ তাহেরকে সলিমূল্লাহ হলের হাউস টিউটর সরোয়ারের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হল। কিন্তু পরবর্তী দিনগুলোতে জিয়া দেখলেন তাহেরের আদর্শকে ঘিরে সেনানিবাসে রাজনৈতিক বিতর্ক লেগেই আছে। সিপাহী অসন্তোষ বারবার পাল্টা অভ্যুত্থান পরিস্থিতির সৃষ্টি করছিল। জিয়াসহ সব স্তরের কমিশন্ড অফিসাররা এই একটি প্রশ্নে জিয়ার পক্ষে দাড়ালেন। সেনাকমান্ড এই সিদ্ধান্তে এসেছিল যে, জাসদের কর্নেল তাহেরের বিপ্লবী চিন্তাধারাকে মাটিচাপা দেয়া না গেলে সেনাবাহিনীর কমান্ড ফিরিয়ে আনা কঠিন। অর্থাৎ প্রচলিত বুর্জোয়া সেনাকাঠামো ভিত্তিক সমাজ কাঠামো আর বিপ্লবী সেনাকাঠামো ভিত্তিক নতুন সমাজ কাঠামোর দ্বন্দ্ব নিরসনের প্রশ্নটি সামনে চলে আসে। ১৮ জুন’ ৭৬ ডি আই জি প্রিজন কক্ষে শুরু হল রাষ্ট্র বনাম মেজর জলিল গং রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা। ১৭ জুলাই ’৭৬ কর্নেল তাহেরকে বিচারের নামে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হল। বাকীদের প্রহসনের সাজা ছিল যাবজ্জীবন। ২১ জুলাই ’৭৬ তাহেরকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়। যদিও ফাঁসি কার্যকরের দিন পর্যন্ত দ. বি. ১২০ ধারায় সর্বোচ্চ সাজা ছিল যাবজ্জীবন। এরপরেও সেনাবাহিনীতে অসন্তোষ লেগেই ছিল। তবে তাহেরের হত্যার সাথে সাথে সেনাবাহিনীতে বিপ্লবী সিপাহীদের কর্মকাণ্ড ধীরে ধীরে স্তিমিত হয়ে পড়তে থাকে। জনজীবনে জাসদও একটি ছন্নছাড়া দলের পরিণতির দিকে ধাবিত হয়। এই অঙ্কের হিসেবে তাহেরকে হত্যা করার সিদ্ধান্তটি নিতান্ত ব্যক্তি জিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বী উৎখাতের প্রচেষ্টা হিসেবে দেখলে প্রকৃত ইতিহাস উঠে আসবে না। বরং আমরা দেখছি সেনাবাহিনীর মূল নিয়ন্ত্রক গ্রুপটি দেখলো প্রচলিত সেনাকাঠামো টিকিয়ে রাখার প্রয়োজনে তাহেরের বিদায় বিকল্পহীন। আমার মূল্যায়নে জিয়া ভিত্তিক সেনানেতৃত্বের, তাহেরকে হত্যা করার প্রশ্নে সম্মতি থাকা পরবর্তীতে যৌক্তিকতা লাভ করে। একটি বিপ্লবী প্রচেষ্টা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হল। তাহের ফাঁসিতে ঝুলল। দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশ সেনা কাঠামো প্রচলিত পথে বিকশিত বা বড় হবার পথ উন্মুক্ত হলো। তবে নতুন করে বিপদ উপস্থিত হয়েছিল অন্যদিক থেকে এবং তা অবধারিতই ছিল। মুক্তিযুদ্ধকালীন যে গণবিপ্লবী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে দেশ স্বাধীন হয়েছিল, সে প্রক্রিয়ায় সেনাবাহিনী ও যুব সমাজের একটি অংশের মধ্যে তীব্র প্রগতিশীল চেতনার জন্ম দেয়। এটি আমাদের ইতিহাস খ্যাত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। সেনাবাহিনীতে এই ঝোঁক অধিকতর তীব্র ছিল। পাকিস্তান ফেরৎ অফিসারদের আত্মীকরণের সাথে সাথে এবং মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের দু’বছরের সিনিয়রিটি দেয়ায় অফিসাররা সরাসরি মুক্তিযোদ্ধা এবং অ-মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়ে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়ে। জিয়া তার রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ চরিতার্থের জন্য যতই মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃত্বকে এবং পাকিস্তান ফেরৎ অ-মুক্তিযোদ্ধা সেনা অফিসারদের কাছে টানছিলেন, ততই মুক্তিযোদ্ধা সেনাকর্মকর্তারা জিয়ার ওপর ফুঁসছিলেন। এরই পরিণতি হিসেবে জিয়াকে হত্যা করা হয়। ৩০ মে ১৯৮১ মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত সেনা অফিসারদের মধ্যে নেতৃত্ব দানকারী সবাই ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা এবং খেতাব প্রাপ্ত। যাই হোক সেটি ভিন্ন বিতর্ক। তাহেরের জন্ম ১৪/১২/১৯৩৮। মাত্র ৩৮ বছর বয়স্ক একজন বীরোত্তম খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা সেনাকর্মকর্তা হিসেবে তাহেরের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা বিপ্লবের ভাগ্য নির্ধারণ করেছিল। এখন বারবার প্রশ্ন উঠছে ৭ নভেম্বর ১৯৭৬ তারিখটিকে বিপ্লবের ক্ষণ নির্ধারণ সঠিক ছিল কিনা। তাহের দেখলেন চরম অস্থিতিশীল ক্ষমতার দ্বন্দ্ব চলছিল মূলত সেনা নেতৃত্বকে ঘিরে। পাকিস্তানপন্থী ফারুক-রশিদ গংদের বিরুদ্ধে খালেদ-শাফায়াতের অভ্যুত্থান সেনাকমান্ডে বিপজ্জনক রেষারেষির জন্ম দেয়। অফিসারদের মধ্যে এসব ক্ষমতার দাবা খেলায় সাধারণ সিপাহীরা বিদ্রোহী হয়ে উঠেছিল। তবে ইতিহাস বলছে তাহেরের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রচলিত অফিসারভিত্তিক প্রথাগত সেনা কমান্ড বিলুপ্ত করে গণসামরিক বাহিনীর যে ছক তাহের এঁকেছিলেন, তার ভবিষ্যৎ কাঠামো সম্বন্ধে তখন অবধি পৃথিবীতে কোন মডেল ছিল না। সিপাহীরা ক্ষমতা নিয়ে কি ধরনের সেনাবাহিনী দাঁড় করাবে তারও কোন সুস্পষ্ট রূপরেখা বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার কাছে পরিস্কার ছিল না। তাহের ইনু সোজা বঙ্গভবনে হাজির না হয়ে প্রথমে পদত্যাগী সেনাপ্রধান জিয়াকে গৃহবন্দীত্ব থেকে মুক্ত করলেন এবং শহীদ মিনারে গিয়ে সিপাহী জনতার উদ্দেশ্যে তাহের ও জিয়ার যৌথ ভাষণ দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে এগোলেন। এরপর তাদের লক্ষ্য ছিল রেডিওতে সৈনিক সংস্থার ১২ দফা মেনে নেয়া সংক্রান্ত জিয়াকে দিয়ে অঙ্গীকার আদায়। ৭ ও ৮ নভেম্বর এই দু’দিন টানাপোড়ন চলেছে তাহের ও জিয়ার মধ্যে। তাহের সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সম্পন্ন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু জিয়ার তা মনঃপুত ছিল না। তিনি প্রচলিত সেনা কমান্ড ও বিদ্যমান সমাজ ব্যবস্থা বহাল রেখে গণতান্ত্রিক পন্থায় এগোনোর পক্ষপাতি ছিলেন। তাহেরের একটি দল ছিল। বিশাল কর্মীবাহিনী ছিল। সিপাহীদের মধ্যে জাসদের সাংগঠনিক ভীত ব্যবহার করে বিপ্লব সংগঠিত হয়েছিল সফলভাবে। খালেদ-শাফায়াত বঙ্গভবন থেকে উচ্ছেদও হয়েছিলেন। কিন্তু যেহেতু অবসরপ্রাপ্ত হিসেবে তাহেরের অধীনে কোন সরাসরি সেনা ইউনিট বা কমান্ড বা কর্তৃত্ব ছিল না, সেহেতু বঙ্গভবন দখলে রাখতে হলে এবং সেনাবাহিনীর উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় জিয়াকে তাহেরের সত্যিই প্রয়োজন ছিল। যুগলবন্দী মুহূর্ত এসেছিল বটে তবে দু’জনার মনস্তাত্বিক জগতে স্বপ্নের ফারাক ছিল। তাহের চেয়েছিলেন বিপ্লব আর জিয়া চেয়েছিলেন নিজের উত্থান।

তাহের জিয়াকে শহীদ মিনারে নিতে পারেননি। রেডিওতে ঘোষণা দেওয়াতে ব্যর্থ হলেন। জিয়া রয়ে গেলেন ক্যান্টনমেন্টে। ১৩ জন সামরিক অফিসারকে হত্যা করলো সৈনিক সংস্থার সিপাহীরা। ঢাকা গ্যারিসনের সমস্ত অফিসাররা প্রমাদ গুনলেন। তারা জিয়াকে দিয়ে আত্মরক্ষার পথ খুঁজলেন। সমস্ত সেনা অফিসাররা যখন জিয়ার পেছনে সারিবদ্ধ হল, তখন জিয়ার বুঝতে বাকি রইল না যে, তাহের প্রকৃত অর্থে ক্ষমতা শুন্য। তিনি দ্রুত সেনাকমান্ড ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়ার সাথে সাথে, তাহের-ইনু তাত্ত্বিকভাবে সিপাহীদের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করলেন। অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জসহ অন্যান্য শিল্প এলাকা থেকে ঢাকা শহরে শ্রমিক অবরোধের যে দায়িত্ব জাসদ নেতৃত্ব নিয়েছিল, তারা সেটি সংগঠনে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দেন। দীর্ঘ তিন মাসে অস্থির ঢাকাবাসী যখন দেখলো সিপাহীরা জিয়াকে ঘিরে উল্লাস করছে তখন তারা সেটিকে স্বাগত জানান। জনতা ভাবলো এই অস্থির অবস্থা থেকে পরিত্রান পাওয়ার যোগ্য নেতৃত্ব হতে পারে সেনাপ্রধান জিয়া। ২৪ নভেম্বর ’৭৬ তাহেরকে গ্রেফতার করে জিয়া তাহেরের ব্যর্থ বিপ্লবকে কফিনবন্দী করে একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি টানেন।

রাষ্ট্র বনাম জলিল মামলার রায় প্রকাশের আগে জিয়া ঊর্দ্ধতন সেনা অফিসারদের বৈঠকে তাহের, মেজর জলিল, আসম রব, হাসানুল হক ইনু, আবু ইউছুফ ও মেজর জিয়াউদ্দিনের মৃত্যুদণ্ড দেয়ার বিষয়টি উত্থাপন করেন। জেনারেল মঞ্জুর তীব্র আপত্তি উত্থাপন করলে, জিয়া হন হন করে বেরিয়ে যান। তবে বলে যান যে, অন্যদের কথা বিবেচনা করলেও তিনি তাহেরকে ছাড় দেবেন না।

তাহেরকে শেষ পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলতেই হয়েছে। ব্যর্থ বিপ্লবীদের ফাঁসির রশি অথবা ফায়ারিং স্কোয়াডই শেষ পরিণতি। তবে তাহেরের প্রতি জিয়ার আক্রোশ নিতান্ত ব্যক্তিগত ধরলে সঠিক ইতিহাস লিপি হয় না। আসলে তাহের এ সমাজ ভেঙ্গে নতুন সমাজ গড়তে চেয়েছিলেন। অন্যদিকে জিয়া চেয়েছিলেন বিদ্যমান সমাজ কাঠামো বহাল রেখে নিজেই ইতিহাসের অংশ হয়ে উঠা। শাব্দিক অর্থে দু’জনাই এ জাতির ইতিহাসের অংশ। তবে ঘটনা প্রবাহ ছিল ঝঞ্জাবি ক্ষুব্ধ ও উত্থাল। উত্থাল রাজনৈতিক ঢেউয়ের মধ্যে জিয়া তীরে উঠতে পেরেছিলেন। তাহের পারেননি। বঙ্গোপসাগরের অথৈ গভীরে তাহেরের বিপ্লবী স্বপ্ন বহুকালের জন্য হারিয়ে গেছে। রাজনীতি শাস্ত্রের অবধারিত নিয়মে তাহেরকে ঝুলতে হয়েছে ফাঁসি কাষ্ঠে।

লেখক : আইনজীবী, কলামিস্ট
(সংগৃহীত)

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত