logo
সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৭
bijoy
  • হোম
  • অপরাধ
  • ইলেকট্রেশিয়ান পরিচয়ে মাকে আটকে ৩ মাসের শিশু অপহরণ

ইলেকট্রেশিয়ান পরিচয়ে মাকে আটকে ৩ মাসের শিশু অপহরণ

ইলেকট্রেশিয়ান পরিচয়ে মাকে আটকে ৩ মাসের শিশু অপহরণ

ঢাকা, ১৯ মে, এবিনিউজ : কেরানীগঞ্জে বাসায় ইলেকট্রিক কাজ করতে গিয়ে মাকে আটকে রেখে অপহরণ করা তিন মাসের শিশু উদ্ধার হয়েছে। আটক করা হয়েছে অপহরণকারী মো. সুমনকে। আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-১০ এর কমান্ডিং অফিসার জাহাঙ্গীর হোসাইন মাতাব্বর বলেন, অপহরণকারী সুমন টিভি-ফ্রিজ মেরামতের কাজ করে। কেরানীগঞ্জের জিনজিরায় তার একটি দোকানও আছে। সেই সূত্রে জিনজিরার মেডিক্যাল প্রমোশন অফিসার শাখাওয়াত হোসেন ও তার পরিবারের সঙ্গে পরিচয়। ১৭ মে সন্ধ্যা ৭টার দিকে শাখাওয়াতের বাসায় যায় সুমন। এসময় শাখাওয়াতের স্ত্রী রিতু ইসলাম মিতুকে জিজ্ঞেস করে কোনও কাজ আছে কিনা?  কোনও কাজ নেই জানিয়ে সুমনকে বসতে বলে মিতু পাশের রুমে বাচ্চার কাপড় আনতে যান। ড্রয়িং রুমের খাটের ওপর ৩ মাসের সন্তানটি ছিল। ফিরে গিয়ে দেখেন রুমের ছিটকিনি বাইরে থেকে আঁটকানো। তিনি দরজা খোলার কথা বলতে থাকেন, কিন্তু পাশের ঘর থেকে কোনও সাড়া শব্দ না পেয়ে কাঁদতে শুরু করেন। তার চিৎকার শুনে প্রতিবেশী একজন এসে দরজা খুলে দেন। তখন ড্রয়িং রুমে এসে ৩ মাসের মেয়ে ও ইলেকট্রিশিয়ান সুমন কাউকেউ পাননি। এরপর সুমনকে বার বার ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি।ইলেকট্রেশিয়ান পরিচয়ে মাকে আটকে ৩ মাসের শিশু অপহরণ

ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টা পর মুক্তিপণ চেয়ে সুমন ফোন করে বলে জানান র‌্যাব ১০ এর সিও।

তিনি বলেন, ‘সুমন মিতুর মোবাইলে ফোন করে বলে, ‘আমি তোর মেয়েকে নিয়ে চলে এসেছি। মেয়েকে ফেরত পেতে চাইলে দুই লাখ টাকা রেডি রাখ। যখন বলবো নিয়ে আসবি। র‌্যাব-পুলিশ কাউকে জানালে তোর মেয়েকে পাবি না। এরপরই সে ফোন কেটে দেয়। রাত ১১টার দিকে সুমন আবার ফোন করে তাড়াতাড়ি টাকার ব্যবস্থা করতে বলে।’

শিশুর বাবা-মায়ের ভাষ্য, ১৭ মে মেয়েকে বাসা থেকে অপহরণ করে মো. সুমন। ফুটফুটে মেয়েকে অপহরণ করেই ক্ষান্ত হননি তিনি। অপহরণের এক ঘণ্টা পর মুঠোফোনে দুই লাখ টাকা দাবি করে ৩১ বছর বয়সী এই যুবক।

র‌্যাব-১০-এ অভিযোগ করলে কেরানীগঞ্জের গোলামবাজার এলাকার জনৈক হাবিবুল্লাহর বাড়ি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, মন্দ মান্দাইল এলাকায় একটি বাড়িতে শিশুর পরিববার ভাড়া থাকেন। অভিযুক্ত সুমন তাদের বাসার পাশে একটি ফ্রিজের দোকানে কাজ করে।

র‌্যাব-১০ কেরানীগঞ্জ ক্যাম্পের এএসপি মহিউদ্দিন ফারুকী বলেন, শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পর অপহরণকারী মোবাইলে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এবিষয়ে শিশুটির বাবা আমাদের কাছে অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, অভিযোগটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হয় এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় সুমনকে আটক করে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।

এবিএন/জনি/জসিম/জেডি

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত