logo
রবিবার, ২০ আগস্ট ২০১৭
 

‘খালেদা জিয়ার ভিশন-২০৩০ হলো বিভিষণ-২০৩০’

‘খালেদা জিয়ার ভিশন-২০৩০ হলো বিভিষণ-২০৩০’
ফাইল ফটো

ঢাকা, ১৯ মে, এবিনিউজ : বিএনপি-জামায়াতের দেশ ও উন্নয়ন বিরোধী সকল অপপ্রচার ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলেছেন, সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ঘোষিত ভিশন-২০৩০ হলো, প্রকৃতপক্ষে বিভিষণ-২০৩০। বিএনপি হলো ঘরের শত্রু বিভিষণ।

আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও ভারত-বাংলাদেশ সম্পকর্’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় স্থপতি ইয়াফেস ওসমান একথা বলেন। বঙ্গবন্ধু পরিষদ এই আলোচনা সভার আয়োজন করে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগ উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য ডা. এস এ মালেক।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনষ্টিটিউটের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. জিন্নাত ইমতিয়াজ আলী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান, ফার্মেসী বিভাগের সাবেক ডীন অধ্যাপক আ ব ম ফারুক, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ ফায়েকুজ্জামান, সাবেক রাষ্ট্রদূত ও কুটনীতিক আতিকুর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোঃ কাফি প্রমুখ বক্তব্য দেন। বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতা মতিউর রহমান লাল্টু ও আবদুল মতিন ভূইয়ার পরিচালনা করেন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকান্ডের ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে আমরা আবারও শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে তাঁর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার শক্তি ক্ষমতায় এসেছি।

ইয়াফেস ওসমান বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক যে কোন সময়ের চেয়ে বেশী শক্তিশালী উল্লেখ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকালে সেদেশের (ভারত) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রটোকল ভেঙে বিমানবন্দের শেখ হাসিনাকে অভ্যর্থনা জানিয়েছেন।

সভাপতির বক্তব্যে ডা. এস এ মালেক বলেছেন, ভারতের বিশাল অর্থনীতির বিপরীতে বাংলাদেশকে টিকে থাকতে হলে আর্থ সামাজিক রাষ্ট্রীয় সব বিবেচনায় নিলে ভারতের সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্বের বিকল্প নেই।

এস এ মালেক বলেন, পররাষ্ট্র নীতি চিরস্থায়ী কোন বিষয় নয়, সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে এই নীতির বিষয়ও পরিবর্তন ও পরিবর্ধন হতেই পারে। ১৯৭২-৭৫ শাসনামলে ভারতের সাথে পররাষ্ট্র নীতির যে দিকদর্শন ছিল পরবর্তীতে সামরিক শাসকরা ও বিএনপি জামায়াত জোট ক্ষমতায় এসে এই সম্পর্ককে মারাত্মক অবনতি ঘটায়। ভারতকে বাংলাদেশের চির শত্রু হিসেবে জনগণের কাছে তুলে ধরে যা দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ক্ষেত্রে কাঙ্খিত ছিল না।

তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা জনগণের ভালোবাসায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে ভারতসহ পৃথিবীর সকল দেশের সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার যে গতিশীলতা আনয়ন করেছেন তার সুফল ইতিমধ্যেই আমাদের জনগণ ভোগ করছে।

ডা. এস এ মালেক আরও বলেন, ভারত বাংলাদেশ উভয় দেশের জনগণের কল্যাণ, সমৃদ্ধি, শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে এবং এই অঞ্চলের চিরস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দুই দেশ কাজ করবে এই প্রত্যাশাই করছি।

আলোচনা সভায় বক্তারা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন ইস্যুতে বিএনপি-জামায়াত জোট ভারত রিরোধী মনোভাবকে উস্কে নিয়ে রাজনৈতিক ফায়াদা লুটতে চাচ্ছে উল্লেখ করে বলেছেন, কিন্তু প্রকৃত অর্থে প্রতিবেশী দেশ ভারত বাংলাদেশের কঠিন ও বিপদের সময়ের বন্ধু।

এবিএন/জনি/জসিম/জেডি

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত