logo
বৃহস্পতিবার, ২৫ মে ২০১৭
 
 

নাঈম আশরাফ ৭ দিনের রিমান্ডে

নাঈম আশরাফ ৭ দিনের রিমান্ডে

ঢাকা, ১৮ মে, এবিনিউজ : রাজধানীর বনানীর হোটেল রেইনট্রিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী ধর্ষণ মামলার অন্যতম আসামি নাঈম আশরাফের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য আজ বৃহম্পতিবার নাঈম আশরাফের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের পুলিশ পরিদর্শক ইসমত আরা এমি।

শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম এসএম মাসুদ জাম্মানের আদালত ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে, গতকাল বুধবার রাত ৮টা ৪০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বলেন, ‘মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে পুলিশ সদর দফতরের একটি বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।’

গ্রেফতারের পর তাকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।নাঈম আশরাফ ৭ দিনের রিমান্ডে সেখানে তিনি ধর্ষণের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, আলোচিত এ মামলার প্রধান আসামি আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদ ও অপর আসামি র‌্যাগনাম গ্রুপের কর্ণধারের ছেলে সাদমান সাকিফকে গত বৃহস্পতিবার সিলেট থেকে গ্রেফতার করা হয়। এর চারদিন পর ১৫ মে রাজধানীর নবাবপুর ও গুলশান-১ থেকে গ্রেফতার হন মামলার অপর দুই আসামি সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী আজাদ (রহমত)। তারাও বর্তমানে রিমান্ডে রয়েছে। অন্য চার আসামিকে গ্রেফতার করার পরও নাঈম আশরাফকে গ্রেফতার না করায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। এ প্রেক্ষাপটে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল নাঈম পুলিশের নজরদারিতেই আছে।

প্রসঙ্গত, ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগ এনে গত ৬ মে বনানী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন দুই তরুণী। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৮ মার্চ পূর্বপরিচিত সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ ওই দুই তরুণীকে জন্মদিনের দাওয়াত দেয়। এরপর তাদের বনানীর ‘কে’ ব্লকের ২৭ নম্বর সড়কের ৪৯ নম্বরে রেইনট্রি নামের হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, সেখানে দুই তরুণীকে হোটেলের একটি কক্ষে আটকে রেখে মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ধর্ষণ করে সাফাত ও নাঈম। এ ঘটনা সাফাতের গাড়িচালক বিল্লালকে দিয়ে ভিডিও করানো হয় বলেও উল্লেখ করা হয় এজাহারে। ধর্ষণ মামলার আসামিরা হলো- সাফাত আহমদ, নাঈম আশরাফ, সাদমান সাকিফ, সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদ।

এবিএন/জনি/জসিম/জেডি

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত