logo
সোমবার, ২৬ জুন ২০১৭
 

সেহরি ও ইফতার | রমজান-৩০

সেহরির শেষ সময় : ভোর ৩:৪০

ইফতার : সন্ধ্যা ৬:৫৩

ইরানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন: লড়াই জমছে রুহানি ও রাইসির

ইরানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন: লড়াই জমছে রুহানি ও রাইসির

ঢাকা, ২১ এপ্রিল, এবিনিউজ : আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছেন ইরানের বর্তমান প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। অনুমতি পেয়েছেন আরেক প্রার্থী ইব্রাহিম রাইসিও। আসছে ১৯ মের নির্বাচনে জমজমাট লড়াই হবে এ দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর মধ্যে। আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ১ হাজার ৬০০ এর বেশি ব্যক্তি মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু দেশটির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারনী পরিষদ ‘গার্ডিয়ান কাউন্সিল’ মাত্র ৬ জনকে প্রার্থী হিসেবে যোগ্য বলে বিবেচনা করেছে। বাদ পড়েছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমেদিনেজাদও।

হেভিওয়েট প্রার্থী ইব্রাহিম রাইসি দেশটির সাবেক বিচারপতি। তিনি ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। প্রার্থী হিসেবে খামেনির সমর্থনও পেয়েছেন। কাজেই আসছে নির্বাচনে ভোটারদের মন জয়ে এ সমর্থন তার জন্য বাড়তি শক্তি হিসেবে কাজ করবে।

অন্যদিকে হাসান রুহানি উদারপন্থী হিসেবে বিশ্বে পরিচিত। ২০১৩ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় বসেন। তিনি এমন এক সময় দায়িত্ব নেন যখন আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার চাপে দেশটির অর্থনীতি ক্রমশ ভেঙে পড়ছে। রাজনৈতিকভাবে একটি বিচ্ছিন্ন দেশ হিসেবে ধীরে ধীরে পরিচিতি পাচ্ছে।

উদারপন্থী রুহানির নেতৃত্বে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়ায় ইরান। পারমাণবিক ইসস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রসহ ৬ বিশ্ব শক্তির সঙ্গে চুক্তি করতে সক্ষম হয়। উঠে যায় নিষেধাজ্ঞা, ফিরে আসতে শুরু করে বিদেশি বিনিয়োগ ও অর্থনীতির গতি।

এখন আঞ্চলিক ও বিশ্ব রাজনীতিতেও ভূমিকা রাখছে ইরান। গত ৪ বছরের মেয়াদকালে দেশের সামগ্রিক গতি ফেরাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখাই রুহানির সবচে বড় অবদান বিবেচনা করা হয়। এ ভাবমূর্তির কারণে তিনি ভোটারদের কাছেও বেশ জনপ্রিয়। এবারের নির্বাচনে এটা তার জন্য বাড়তি পাওনা হিসেবে কাজ করবে।

মাহমুদ আহমেদিনেজাদ কট্টরপন্থী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্বের চরম বিরোধিতা করতেন। পরপর ২ মেয়াদ শেষে ২০১৩ সালে প্রেসিডেন্ট পদ ছাড়েন তিনি। তার আমলে ইরানের অবস্থা খুব একটা ভালো ছিল না। তার হাত ধরে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে আরো বেশি বিচ্ছিন্নতার পথে এগিয়ে যায় দেশটি।

২০০৯ সালে আহমেদিনেজাদ দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হলে ইরানে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ইরানের বিপ্লবের পর এটিকে সবচে বড় প্রতিবাদ হিসেবে দেখা হয়। তাই এবারের নির্বাচনে তাকে প্রার্থী হতে নিষেধ করেছিলেন খামেনি। নিষেধ উপেক্ষা করে প্রার্থীতার ঘোষণা দিলেও, অযোগ্য বিবেচিত হয়েছেন।

এবিএন/জনি/জসিম/জেডি

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত