logo
সোমবার, ২৬ জুন ২০১৭
 

সেহরি ও ইফতার | রমজান-৩০

সেহরির শেষ সময় : ভোর ৩:৪০

ইফতার : সন্ধ্যা ৬:৫৩

  • হোম
  • আদালত
  • ১৩ রাজাকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন বিষয়ে আদেশ ৩১ মে

১৩ রাজাকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন বিষয়ে আদেশ ৩১ মে

১৩ রাজাকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন বিষয়ে আদেশ ৩১ মে

ঢাকা, ২০ এপ্রিল, এবিনিউজ : একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বাগেরহাটের ১৩ রাজাকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশের জন্য আগামী ৩১ মে মামলার দিন নির্ধারণ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। ১৩ আসামির মধ্যে চারজন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন- খান আকরাম হোসেন (৬০), শেখ মোহম্মদ উকিল উদ্দিন (৬২), ইদ্রিস আলী মোল্লা (৬৪) ও মো. মকবুল মোল্লা (৭৯)। গত বছরের ৯ নভেম্বর এদেরকে সেফহোমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

এছাড়াও পলাতক নয় আসামী হচ্ছেন- খাঁন আশরাফ আলী (৬৫), সুলতান আলী খাঁন (৬৮), মকছেদ আলী দিদার (৮৩), শেখ ইদ্রিস আলী (৬১), শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল (৬৪), রুস্তম আলী মোল্লা (৭০), মো. মনিরুজ্জামান হাওলাদার (৬৯), মো. হাশেম আলী শেখ (৭৯) ও মো. আজাহার আলী শিকদার (৬৪)। আসামিরা মুসলিম লীগ ও পরে জামায়াতের সমর্থক হিসেবে রাজাকার বাহিনীতে যোগ দেন।

আজ বৃহস্পতিবার প্রসিকিউশন থেকে অভিযোগ দাখিলের পর চেয়ারম্যান বিচারপতি আনোয়ারুল হকের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-১ আদেশের জন্য এই দিন ধার্য করেন। এর আগে ট্রাইব্যুনালে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেন প্রসিকিউটর মোখলেসুর রহমান বাদল ও প্রসিকিউটর সাবিনা ইয়াসমিন খান। অন্যদিকে আটক চার আসামির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী গাজী এমএইচ তামিম।

এর আগে গত ২২ জানুয়ারি এই ১৩ জনের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। আসামিদের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা-গণহত্যা, ধর্ষণ, অবৈধভাবে আটক, নির্যাতন, অপহরণ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগসহ সাতটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনের অভিযোগে বলা হয়, দুইজন মুক্তিযোদ্ধাসহ ২২ জনকে হত্যা, ৪৫-৫০টি বাড়ির মালামাল লুণ্ঠনের পর আগুনে পুড়িয়ে সম্পূর্ণ ধ্বংস করা, দুইজনকে অমানুষিক নির্যাতনে গুরুতর জখম করা এবং চার নারীকে দীর্ঘদিন রাজাকার ক্যাম্পে আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করা। একাত্তরে মে থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বাগেরহাটের কচুয়া ও মোরেলগঞ্জ উপজেলায় তারা এসব মানবতাবিরোধী অপরাধ করেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন ২০১৫ সালের ৪ জুন থেকে তদন্ত কাজ সম্পন্ন করে সাতটি ভলিউমে মোট এক হাজার ৩০৯ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করেন। মোট ৬১ জন সাক্ষী দেবেন ১৩ আসামির বিরুদ্ধে। তাদের মধ্যে ৫৭ জন ঘটনার সাক্ষী, তদন্তকারী কর্মকর্তা এবং তিনজন জব্দ তালিকার সাক্ষী।

গত বছরের ২৬ জুলাই মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওই ১৩ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। ওইদিন সন্ধ্যায় বাগেরহাট ও খুলনার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এবিএন/জনি/জসিম/জেডি

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত