logo
বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৬
 
ekattor
  • হোম
  • সারাদেশ
  • সৈয়দপুরে জঙ্গি আশঙ্কায় আটকেপড়া পাকিস্তানিদের ২২ ক্যাম্পে নজরদারি !
সৈয়দপুরে জঙ্গি আশঙ্কায় আটকেপড়া পাকিস্তানিদের ২২ ক্যাম্পে নজরদারি !
সৈয়দপুরে জঙ্গি আশঙ্কায় আটকেপড়া পাকিস্তানিদের ২২ ক্যাম্পে নজরদারি !

নীলফামারী, ০৮ আগস্ট, এবিনিউজ : নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় আটকেপড়া পাকিস্তানিদের ২২টি ক্যাম্পে গোপনে জঙ্গিরা আশ্রয় নিতে পারে এমন আশঙ্কায় পুলিশ ক্যাম্পগুলোতে কড়া নজরদারির মধ্যে রেখেছে। গত কয়েকদিন ধরে ক্যাম্পসহ শহরের বিভিন্ন এলাকায় নতুন মুখের আনাগোনা পরিলক্ষিত হওয়ায় পুলিশের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়।
গত ২৩ জুলাই নীলফামারী গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ সৈয়দপুর শহরের শিয়া মসজিদে বোমা হামলার পরিকল্পনাকারী এবং হাতিখানার প্রতীকী কারবালার খাদেম হাসনাইন মাস্টার হত্যা মিশনের সঙ্গে জড়িত এমন দুই জঙ্গিকে আটক করে। তারা হলেন, দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার ছাতিয়ানগড় গ্রামের মৃত ইছাহাক আলীর ছেলে একরামুল হক (৫০) ও পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার খুটামারা গ্রামের মৃত নূর আলম প্রধানের ছেলে নূর মোহাম্মদ আরেফিন (২৭)। তারা জঙ্গি গোষ্ঠীর হত্যা ও হামলা মিশনের সক্রিয় সদস্য বলে ডিবির কাছে স্বীকার করেছে।
সেদিন থেকে স্থানীয় পুলিশ নড়েচড়ে বসে এবং শহরের রেলওয়ে কারখানা, বিমানবন্দর, স্টেশন, মন্দির ও গির্জাসহ প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নজরদারি বাড়িয়েছে। এ ছাড়া ২০০৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি র‌্যাব-৫ এর মেজর এরশাদের নেতৃত্বে সৈয়দপুর শহরের হাতিখানা (মৃধাপাড়া) এলাকার আব্দুল গনির বাড়ি থেকে বিপুল বিস্ফোরক, জেহাদি বই, অস্ত্র এবং নগদ প্রায় অর্ধলাখ টাকাসহ জেএমবির রাজশাহী বিভাগীয় কমান্ডার আব্দুর রশিদ আরিফ, ৫ জেলা কমান্ডার ও আত্মঘাতী স্কোয়াডের তিন সদস্যসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে। তখন স্থানীয় প্রশাসনের টনক নড়ে। সে সময় আব্দুর রশিদ র‌্যাবকে জানান, তিনি জেএমবির সাংগঠনিক ৩টি জেলার ৪টি প্রশাসনিক জেলা নিয়ে গঠিত (নীলফামারী, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট) বিভাগীয় কমান্ডার।
ওই সালের ১৭ আগস্ট তিনি রাজশাহীর জোনাল কমান্ডার তারেকের নেতৃত্বে নাটোর শহরের একটি মার্কেটে বোমা হামলা চালান। তার বাড়ি বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলার চকযাদু গ্রামে। তার সঙ্গীয় গ্রেপ্তারকৃত অন্যরা ছিল জেলা কমান্ডার ওয়াহিদুল ইসলাম সায়েম, মাহফুজার রহমান ইব্রাহিম, মনিরুজ্জামান ওরফে ইকবাল, আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে নাহিদ, আত্মঘাতী স্কোয়াডের এহসানুল হক ওরফে মেসবাহ, রবিউল ইসলাম ওরফে কামাল হোসেন, শাহাবুদ্দিন ওরফে আহমেদ মুসা, সদস্য ফারুক হোসেন ওরফে আমজাদ। সে সময় আব্দুর রশিদ নিজেকে জনস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালের রিপ্রেজেনটেটিভ পরিচয় দিয়ে ওই বাড়ি ভাড়া নিয়েছিলেন।
সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলাম জানান, বর্তমান পরিস্থিতি এবং অতীতের বিভিন্ন ঘটনা বিশ্লেষণ করে আমরা পদক্ষেপ নিচ্ছি। বাসার মালিকদের কাছ থেকে ভাড়াটিয়ার ছবিসহ বিস্তারিত বায়োডাটা সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ ছাড়া ক্যাম্পগুলো স্পর্শকাতর এলাকা হওয়ায় এগুলোতে কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে।


এবিএন/সোম-১ম/সারাদেশ/মো. আমিরুজ্জামান/মুস্তাফিজ/রাজ্জাক

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত