logo
মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৭
 

শিল্প-কারখানার অব্যবহৃত জমিতে গড়ে উঠবে নতুন শিল্প

শিল্প-কারখানার অব্যবহৃত জমিতে গড়ে উঠবে নতুন শিল্প

ঢাকা, ০৮ আগস্ট, এবিনিউজ : রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প-কারখানার অব্যবহৃত জমিতে যৌথ বিনিয়োগে নতুন শিল্প-কারখানা স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রবিবার শিল্প মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে জাতীয় শিল্প উন্নয়ন পরিষদের নির্বাহী কমিটির (ইসিএনসিআইডি) এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এ সভায় সভাপতিত্ব করেন। দেশব্যাপী পরিকল্পিত শিল্পায়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে গঠিত জাতীয় শিল্প উন্নয়ন পরিষদের (এনসিআইডি) সভায় গৃহিত সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনার লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয় এ সভার আয়োজন করে। ইসিএনসিআইডির সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তে বলা হয়, পণ্য বৈচিত্রকরণের উপযোগী নতুন শিল্প কারখানা স্থাপিত হলে বহুমুখী শিল্পপণ্য উৎপাদনের পাশাপাশি উৎপাদিত পণ্যে মূল্য সংযোজনের সুযোগ তৈরি হবে। এ উদ্যোগের ফলে অলাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানাগুলোকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করবে। সভায়, দেশব্যাপী শিল্পায়ন প্রক্রিয়া জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় ক্লাস্টারভিত্তিক শিল্প কারখানায় ঋণ সুবিধা বৃদ্ধি, কৃষিভিত্তিক শিল্পে প্রণোদনা প্রদান, জাহাজ নির্মাণ শিল্পের প্রসার, পরিবেশবান্ধব জাহাজ রিসাইক্লিং শিল্প স্থাপনে নীতি সহায়তা প্রদান, জাহাজ ভাঙ্গা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ক্ষুদ্র শিল্প উদ্যোক্তাদের সুবিধার্থে বিসিকে ওয়ানস্টপ সার্ভিস চালু, প্যাকেজিং আইন প্রণয়ন, দেশীয় শিল্পের স্বার্থে এন্টি ডাম্পিং মেকানিজম গড়ে তোলাসহ সংশ্লি¬ষ্ট অন্যান্য বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
সভায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থায়নের সুবিধার্থে বাংলাদেশ ব্যাংকে গচ্ছিত পুনঃঅর্থায়ন তহবিল থেকে এসএমই ফাউন্ডেশনের অনুকূলে অর্থ বরাদ্দের জন্য প্রস্তাব পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একই সাথে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতায় জাহাজ নির্মাণ শিল্পের কার্যক্রম বেগবান করার লক্ষ্যে দ্রুত একটি জাহাজ নির্মাণ নীতিমালা প্রণয়নের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সভায় শিল্পমন্ত্রী বলেন, শিল্প-কারখানায় চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহের বিষয়ে সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে। তিনি গৃহস্থালি ও পরিবহনে জ্বালানি হিসেবে সিলিন্ডার ও এলএনজি ব্যবহার করে শুধুমাত্র শিল্প-কারখানায় প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের ওপর গুরুত্ব দেন।
বগুড়ায় কৃষি যন্ত্রপাতি উৎপাদনের লক্ষ্যে আধুনিক শিল্প কারখানা গড়ে তোলা হবে বলেও তিনি জানান।
আমির হোসেন আমু বলেন, শিল্প বিকাশের পথে অন্তরায়গুলো চিহ্নিত করে তা সমাধানের কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। পাটজাত পণ্যের বহুমুখীকরণের পাশাপাশি চিনি শিল্পে পণ্য বৈচিত্রকরণের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। ইতোমধ্যে চিনিকলগুলোর উপজাত (বাই-প্রোডাক্ট) কাজে লাগিয়ে নতুন পণ্য উৎপাদনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এছাড়া চিনিকলগুলোতে অমৌসুমে ‘র’ সুগার থেকে পরিশোধিত চিনি উৎপাদন এবং সুগার বিট ব্যবহার করে চিনি উৎপাদনের কাজ চলছে। তিনি এলাকাভিত্তিক শিল্প কাঁচামালের সহজলভ্যতা বিবেচনা করে শিল্প স্থাপনের ওপর গুরুত্ব দেন।

এবিএন/সোম-১ম/অর্থনীতি/ডস্ক/এমআর/মুস্তাফিজ/লাম

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত