logo
বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৬
ekattor
  • হোম
  • সারাদেশ
  • চিতলমারী মধুমতি নদীর ভাঙ্গনে ২৫টি বসতবাড়ি বিলীন
চিতলমারী মধুমতি নদীর ভাঙ্গনে ২৫টি বসতবাড়ি বিলীন
চিতলমারী মধুমতি নদীর ভাঙ্গনে ২৫টি বসতবাড়ি বিলীন

বাগেরহাট, ০৭ আগস্ট, এবিনিউজ : বাগেরহাটে মধুমতি নদী ভাঙ্গন তীব্র আকার ধারন করেছে। প্রতিনিয়ত নদী ভাঙ্গনে বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি। তীব্র নদী ভাঙ্গনে গত এক সপ্তাহে অন্তত ২৫ টি বসতবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। এতে প্রায় ৫০ বিঘা জমির বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা ও রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। নি:স্ব হয়ে পড়েছে শতশত পরিবার।
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বড়বাড়িয়া ইউনিয়নের পরানপুর গ্রাম লাগোয়া মধূমতি নদীর করাল ¯্রােতে কয়েক বছর ধরে ভাঙ্গনের কবলে পড়ে অন্তত ৫’শতাধিক পরিবার নি:স্ব হয়ে পড়েছে। অধিকাংশ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পৈত্রিক ভিটাবাড়ি হারিয়ে অন্যত্র চলে গেছে। আবার কেউ কেউ অন্যের জমিতে ও রাস্তার পাশে আশ্রয় নিয়েছে।
আজ রবিবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে ঘরবাড়ি হারানো ক্ষতিগ্রস্থরা নদীগর্ভে চলে যাওয়া গাছপালা ও ঘরবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছে। এছাড়া মধুমতি নদীর পাড় দিয়ে বয়ে যাওয়া মোল্লাহাট ও চিতলমারী উপজেলার যোগাযোগের একমাত্র রাস্তাটিও ভেঙ্গে যাওয়ায় যোযাযোগ বিছিন্ন হয়ে পড়েছে। ঘরবাড়ি বিলিন হওয়ায় তারা মানবেতর জীবনযাপন করছে। ক্ষতিগ্রস্থরা নদী ভাঙ্গন রোধে সংশ্লিষ্টদের হস্থক্ষেপ কামনা করছে।
নদী ভাঙ্গনে স্বর্বস হারানো বিধবা শরীফা বেগম কান্ন্াকন্ঠে বলেন, মা-বাবা,দাদীর কবরসহ ৫০টি কবর ও দামি দামি গাছপালা এবং জায়গাজমি সব হারিয়েছি ভাঙনে। বর্তমানে অন্যের বাড়ি থাকি। আমাকে কেউ দেখার নেই’।
পরানপুর গ্রামের ভাঙ্গনের স্বীকার হাওয়া বেগম. সেকেন্দার, বেলায়েত হোসেন, সৈয়দ আলী, তৈয়বআলী, আউয়ুব আলী, জাফর শেখ, আলোমতিসহ অনেকেই বলেন, নদীতে ক্ষেত-খামারসহ সব কিছু নিয়ে গেছে। ৪/৫ বার বাড়িঘর সরিয়েও শেষ পর্যন্ত রেহাই মেলেনি। গত ছয় দিনের নদী ভাঙ্গনে সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। সরকারের কাছে আমাদের দাবী জরুরী ভিত্তিতে ভাঙ্গন ঠেকাতে হবে।
স্থানীয় বড়বাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান বলেন, কয়েক বছর ধরে অব্যাহত নদী ভাঙ্গনে পরানপুর গ্রামের প্রায় ৫’শত পরিবার ঘরবাড়ি ও জমিজমা হারিয়ে নি:স্ব হয়ে পড়েছে। এই ভাঙ্গন থেকে পরিত্রান পেতে প্রধানমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এবিষয়ে চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনোয়ার পারভেজ বলেন, নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্থদের আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে। তবে নদী ভাঙ্গন ঠেকাতে একনেকে একটি প্রকল্প পাশ হয়েছে। কাজ শুরু হলে দীর্ঘদিনের ভাঙ্গনরোধ থেকে এলাকাবাসি মুক্তি পাবে।


এবিএন/রবি-২য়/সারাদেশ/এস.এস সাগর/মুস্তাফিজ/রাজ্জাক

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত