logo
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০১৬
 
 
  • হোম
  • সারাদেশ
  • নাসিরনগরে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষণের স্বীকার
নাসিরনগরে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষণের স্বীকার
নাসিরনগরে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষণের স্বীকার

নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), ০৭ আগস্ট, এবিনিউজ :  জেলার নাসিরনগর উপজেলা ধর্ষণের স্বীকার ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী ৭মাসের অন্ত:সত্তা। মামলা করে নেতাদের চাপে বিব্রত পরিবার। এমন অভিযোগ ধর্ষিতা ও তার পরিবারের লোকজনের। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের তিলপাড়া গ্রামে। সরেজমিন অনুন্ধানে এলাকায় গেলে ধর্ষিতার পিতা ছায়েদ মিয়া,মা রাশিদা বেগম, ছোট্ট মিয়া, দুধ মিয়া, মহরম আলী, ফারুক মিয়া, মডলী বেগম সহ প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আসামীপক্ষ মামলা তুলে নিতে বাদীপক্ষকে অব্যাহত হুমকি দিচ্ছে । তারা জানান, বর্তমানে উভয় পরিবার তিলপাড়া এসে বাড়ি করে পাশাপাশি বসবাস করছে। ধর্ষিতা সখিনা বেগম (ছদ্ধনাম) এ বছর নাসিরনগর আশুতোষ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হয়। ধর্ষক প্রতিবেশী মোঃ শাহজাহান মিয়ার ছেলে মোঃ সাদ্দাম হোসেন নাসিরনগর ডিগ্রি মহা বিদ্যালয়ে দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়ছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও মামলা সূত্রে জানা যায়। ঘটনার তারিখে সখিনার পিতা মাতা রোগী দেখার জন্য অন্য গ্রামে চলে যায়। খালি  ঘরে সখিনা ঘুমিয়ে পড়ে। এই সুযোগে লম্পট ধর্ষক সু কৌশলে ঘরে প্রবেশ করে।সখিনার মূখে কাপড় ঝাপটে ধরে তার ইচ্ছার বিরোদ্বে জোর পূর্বক ধর্ষন করে। ধর্ষনের ফলে সখিনা অন্ত:সত্তা হয়ে পড়ে। মা বাবা বাড়িতে আসলে সখিনা তাদের এ ধর্ষনের ঘটনা জানায়। সখিনার পিতা ছায়েদ মিয়া তখন বিচারের আসায় গ্রাম্য সর্দার মাতাব্বরদের দারস্থ হন। উপজেলা চেয়ারম্যান এ টি এম মনিরুজ্জামান সরকারের বাড়িতে শালিস বসে। শালীসে উপজেলা চেয়ারম্যান ২৪ ডিসেম্বর উভয়ের মাঝে বিবাহের সিদ্বান্ত দেন। ধর্ষনকারী উপজেলা চেয়ারম্যানের নিকটাত্মীয় হওয়ায় তার নির্দেশে বিয়ে ভেঙ্গে ধর্ষক সাদ্দাম পালিয়ে যায় বলে জানান তারা। ৬জুন সখিনার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। তখন সখিনা ৬মাসের অন্ত:সত্তা বলে  ডাক্তার জানায় । নিরুপায় হয়ে সখিনার পিতা বাদী হয়ে সাদ্দামকে আসামী করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে মামলা করে। আদালত মামলাটি তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নাসিরনগর থানাকে নির্দেশ দেন। নাসিরনগর ডিগ্রি মহা বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মোঃ আলমগীর হোসেনের সাথে যোগাযোগ করে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কিছইু জানেন নি বলে জানান। নাসিরনগর আশুতোষ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুর রহিমের সাথে যোগাযোগ করলে, তিনি বলেন মেয়েটি এখন আর স্কুলে আসেনি। উপজেলা চেয়ারম্যান এ টি এম মনিরুজ্জামান সরকারের সাথে তার ব্যবহারিত মোবাইল নাম্বারে বার বার যোগাযোগের চেষ্টা  করেও তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নাসিরনগর থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক মোঃ আব্দুল ওয়াহাবের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আমি উভয় পক্ষকে ডেকে উপজেলা চেয়ারম্যানের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের জন্য বলেছি।


এবিএন/রবি-২য়/সারাদেশ/মো. আব্দুল হান্নান/মুস্তাফিজ/রাজ্জাক

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত