logo
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০১৬
 
 
  • হোম
  • সারাদেশ
  • ভোলায় বন্যা কবলিতদের ঠাঁই মিলেছে আশ্রয় কেন্দ্রে
ভোলায় বন্যা কবলিতদের ঠাঁই মিলেছে আশ্রয় কেন্দ্রে
ভোলায় বন্যা কবলিতদের ঠাঁই মিলেছে আশ্রয় কেন্দ্রে

ভোলা, ০৭ আগস্ট, এবিনিউজ : জোয়ারের পানিতে সব ভাসাইয়া নিয়া গেছে। এমনকি থালা-বাসন টুকুও অবশিষ্ট নেই। রাতভর গলা পরিমান পানির নিচে কাটানোর পর ভোরে প্রান বাচাঁতে আশ্রয় কেন্দ্রে  এসেছি। গৃহপালিত পশু-পাখির সাথে দিন কাটাচ্ছি কিন্তু কিভাবে চুলো জ্বলবে। কান্না জড়িত কন্ঠে এ কথাগুলোই বলছিলেন সদরের রাজাপুর  গ্রামের বন্যা কবলিত আসমা বেগম।
তিনি বলেন, আমাগো ছবি তুইল্যা কি লাভ, কেউ আমাদের খোজঁ নেয় না। শুধু আসমা নয়, তার মত একই অবস্থা শাহানা, হাসিনা, নার্গিস, লাইজু, হনুফা ও সাহিনুরদের মত অনেকের।ভোলা সদরের  কবলিত ইলিশা ও রাজাপুর ইউনিয়ের প্রায় অধশতাধিক মানুষের ঠাই মিলেছে আশ্রয় কেন্দ্রে  জোয়ারের পানিতে সবস্ব হারানো এসব পরিবারের ঘরে রান্নার চুলো জ্বলছে না। শনিবার  জংশন বাজার সংলগ্ন আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করতে দেখা গেছে।ভোলায় বন্যা কবলিতদের ঠাঁই মিলেছে আশ্রয় কেন্দ্রে
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ভোলা সদর উপজেলার  চর আনন্দ, সোনাডগী, কালুপুর, দক্ষিন রাজাপুর, কন্দকপু, শ্যামপুর, উত্তর ইলিশা, সোনাপুর, রামদাসপুরসহ অন্তত ২০ টি গ্রামের  বিস্তর্নী  এলাকা জোয়ারের পানিতে প্লাবিত  হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে পুকুর, ঘের, স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসা, রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা।  জোয়ারের চাপে বিধ্বস্ত হয়েছে অর্ধ-শতাধিক ঘর-বাড়ি।
বন্যা কবলিত নার্গিস বলেন, কিছুদিন আগে নদীতে ঘর গেছে, রাস্তার পাশে জুপড়ি ঘরে ছিলাম কিন্তু এখন সেই ঘরটিও শেষ। এখন আশ্রয়  কেন্দ্রে  রয়েছি। আশ্রয় কেন্দ্রে ঠাই মিলেছে হাসিনা বেগমেরও। তিনি বলেন, জোয়ারে ৫ টি হাসঁ ও ৩ টি মুরগী ভেস গেছে। কুলসুম বলেন,  ছেলে- মেয়েদের নিয়ে চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছি, দুইদিন ধরে রানা নেই। এদিকে ভোলা সদরের মত জেলার ৫ টি উপজেলায় ৩০ গ্রামের  একই অবস্থা। সেখানে বানভাসি মানুষের চরম দুর্ভোগ  পোহাচ্ছেন। ভোলার জেলা প্রশাসক মো: সেলিম উদ্দিন বলেন, এখন পর্যাপ্ত ৮ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। পরবর্তিতে আরো বরাদ্দ দেয়া হবে।


এবিএন/রবি-১ম/সারাদেশ/আদিল হোসেন তপু/মুস্তাফিজ/রাজ্জাক

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত