logo
শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০১৬
 
 
সুন্দরগঞ্জে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে নদী ভাঙ্গন
সুন্দরগঞ্জে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে নদী ভাঙ্গন
সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা), ০৬ আগস্ট, এবিনিউজ : গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বন্যার পানি কমতে শুরু করায় নদী ভাঙ্গনের তীব্রতা ভয়াবহ রূপ নেয়ায় শত শত পরিবার গৃহ হারা হয়ে পড়েছেন। 
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে এ উপজেলায় তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদ-নদীর পানি তীব্র স্রোতে  প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে গত ৫ দিন থেকে বন্যার পানি কমতে শুরু করায় তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদী-নদীর কয়েকটি স্থানে তীব্র নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। নদী ভাঙ্গনে কাপাসিয়া ইউনিয়নের ২নং, ৪নং, ৬নং, ৭নং, ৮নং ও ৯নং ওয়ার্ডসহ প্রায় গোটা এলাকা ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় সহ¯্রাধিক পরিবার গৃহ হারা হয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। 
কাপাসিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মঞ্জু মিয়া জানান, তার ইউনিয়নের নদী ভাঙ্গনে ও বন্যার পানিতে গৃহ হারা পরিবারগুলোর আশ্রিত স্থানগুলোতে খাদ্য, বাসস্থান, বিশুদ্ধ পানীয়জল, স্যানিটেশন ব্যবস্থা ও ওষুধপত্রসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর অভাব তীব্র আকার ধারণ করায় তারা অবর্ননীয় দুর্ভোগে পড়েছেন। গত বৃহস্পতিবার নদী ভাঙ্গণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের মাঝে ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব হাবিবুল কবির চৌধুরী  আর্থিক সহায়তা প্রদান করলেও তা ছিল অপ্রতুল। এছাড়া উপজেলার নদী বিধৌত ৬টি ইউনিয়নের কয়েকটি স্থানে নদী ভাঙ্গনের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে করে আরও শত শত পরিবার গৃহ হারা হয়ে পড়েছেন। এলাকাগুলো হচ্ছে হরিপুর, বোচাগাড়ি, উজান বোচাগাড়ি, রাঘব, লখিয়ারপাড়া, কানিচরিতাবাড়ি, চর চরিতাবাড়ি, মাদারিপাড়া, চর মাদারীপাড়া, লাঠশালার  চর, চর বেলকা, মধ্য বেলকা, রামডাকুয়া, চর খোদ্দা, ছয় ঘড়িয়া, বাংলাবাজার। এইসব এলাকার মানুষ পরিবার-পরিজন ও গবাদি পশু নিয়ে নিরাপদ স্থান, বেড়িবাঁধে আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করলেও নৌ-ডাকাতের ভয়ে তারা রাত জেগে পালাক্রমে আশ্রয় স্থলগুলোতে তাদের জান-মাল রক্ষার জন্য পাহাড়া বসিয়েছেন। 
থানা অফিসার ইনচার্জ ইসরাইল হোসেন জানান, বানভাসি ও নদী ভাঙ্গন কবলিত মানুষগুলোর বর্তমান আবাস স্থলে জীবন-যাত্রা নির্বিঘœ করতে নৌ টহল ব্যবস্থা জোড়দার করা হয়েছে।  উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) হাবিবুল আলম জানান, বানভাসি ও নদী ভাঙ্গন কবলিত মানুষগুলোকে পুনর্বাসনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরণের সহযোগিতা প্রদানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। 
 
এবিএন/শনি-২য়/সারাদেশ/ডেস্ক/রেদওয়ানুর রহমান/মুস্তাফিজ/ইতি

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত