logo
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০১৬
 
 
  • হোম
  • সারাদেশ
  • টাঙ্গন নদী ভাঙনে হারিয়ে যাচ্ছে সাগুনী ও থুমনিয়া শালবন
টাঙ্গন নদী ভাঙনে হারিয়ে যাচ্ছে সাগুনী ও থুমনিয়া শালবন
টাঙ্গন নদী ভাঙনে হারিয়ে যাচ্ছে সাগুনী ও থুমনিয়া শালবন
পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও), ০৬ আগস্ট, এবিনিউজ : টাঙ্গন নদীর ভাঙনে হারিয়ে যাচ্ছে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সাগুনী ও থুমনিয়া সংরক্ষিত শালবন। ভাঙন ঠেকাতে দীর্ঘদিনেরও নেওয়া হয়নি কোন কার্যকর ব্যবস্থা এমনই অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। 
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে টাঙ্গন নদী পাড়ের ৫’শ একরের থুমনিয়া এবং ২’শ একরের সাগুনী শালবন দু’টি। শালবনের ভাঙনরোধে কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় প্রতিবছরই নদীর ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। আর এতে শালবনের গাছ নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, সাগুনী শালবনের দক্ষিণাংশে ও থুমনিয়া শালবনের উত্তর-পশ্চিম অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। 
স্থানীয় বাসিন্দা ইউসুফ আলী বলেন, ভাঙনরোধে শীঘ্রই ব্যবস্থা না নিলে শালবনটির গাছপালা ও জায়গা একসময় টাঙ্গন নদীতে বিলীন হয়ে যাবে। মামুনূর রশীদ মামুন নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, প্রতিবছরই ভাঙছে আর শালবনের জায়গা কমছে। ব্যবস্থা না নিলে এভাবেই একসময় হারিয়ে যাবে শালবন। 
ভাঙন ঠোকাতে শুধু আশার বাণী নয়, দেশের জাতীয় সম্পদ শালবন রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে এমন প্রত্যাশা এলাকাবাসীর। সৈয়দপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইকরামুল হক বলেন, ১৭-১৮ বছর আগে শালবন থেকে অনেকদূরে ছিল টাঙ্গন নদী। কিন্তু ভাঙনে আস্তে আস্তে নদীটা বনের ভেতরে চলে এসেছে। 
শ্রাবণের শুরুতেই নদীর পানি বেড়ে যওয়ায় গত কয়েক দিনে ৪ থেকে ৫ মাঝারি আকারের শালগাছ নদীর পানিতে উপড়ে গেছে বলে জানায় পীরগঞ্জের বন বিট কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, গত বছরের এপ্রিল মাসে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) থেকে সার্ভেয়ার এসে গাইড বাঁধ নির্মাণের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে যান। কিন্তু পরে এখন পর্যন্ত আর কোনো সাড়া মেলেনি। 
প্রতিবছরই নদীর ভাঙন বাড়ছে এ কথা স্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার বলেন, ঠাকুরগাঁও জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভায় আমি নদী ভাঙনের বিষয়টি উত্থাপন করেছি। সভায় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এবং বন বিভাগকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
 
এবিএন/শনি-২য়/সারাদেশ/ডেস্ক/বিষ্ণু পদ রায়/মুস্তাফিজ/ইতি

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত