logo
মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৬
 
 
কিশোরগঞ্জে পাটের বাম্পার ফলন
কিশোরগঞ্জে পাটের বাম্পার ফলন
কিশোরগঞ্জ, ০৬ আগস্ট, এবিনিউজ : কিশোরগঞ্জের ভৈরবে পাট চাষ করে দীর্ঘ একযুগ পর পাটের বাম্পার ফলন ও বাজারে পাটের মুল্য বেশি হওয়ায় খুশি কৃষকরা। সরকার পলিথিনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করায় বাজারে পাটের চাহিদা অনেকটা বেড়ে যায়। যার ফলে দীর্ঘদিন পর এ বছরই বাজারে পাটের দাম ভাল থাকায় লাভের আশা করছেন কৃষকরা। পাট চাষে উৎপাদন খরচ বাদে এবার লাভের মুখ দেখবেন এমনটাই আশা করছেন এ অঞ্চলের পাট চাষীরা।
উপজেলা কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী চলতি বছরে ভৈরবে ৫৮০ হেক্টর জমিতে পাট আবাদের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হলেও তা ছাড়িয়ে পাট চাষ করা হয়েছে এবছর ৬৩০ হেক্টর জমিতে। পাট আবাদে খরচ কম হওয়ায় এবং পলিথিনের ব্যবহার নিষিদ্ধ হওয়ার কারণে কৃষকরা পাট চাষে আগ্রহী হয়েছেন। ভৈরব উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতা ও পরামর্শে উপজেলার কালিকাপ্রসাদ, আগানগর, শিমুলকান্দি, শিবপুর, সাদেকপুর ও শ্রীনগর ইউনিয়নে পাট চাষে ফসলে কোন পোকাঁ মাকড়ের আক্রমণ না থাকায় ফলন ভাল হয়েছে বলে জানায় কৃষকরা। 
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার প্রত্যেকটি পাড়া-মহল্লায় পাটকাটা, জাগদেওয়া, আশঁ ছড়ানো ও শোকানোর কাজে ব্যস্ত সময় কাটাছেন কৃষকরা। পাট চাষীরা দাবি করছেন দীর্ঘ একযুগ পর তারা পাট চাষ করে লাভের মুখ দেখছেন। বাজারে পাটের দাম মোটামুটি ভাল থাকায় খুশি তারা। তবে কৃষকদের দাবি পাটের দাম সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কমদরে পাট বিক্রি করতে হচ্ছে পাইকারদের নিকট। সরকারের নিকট কৃষকদের দাবি কৃষকরা যেন পাটের ন্যায্যমূল্য পাই, সেজন্য বর্তমান বাজার মূল্য হ্রাস না করে যেন আরো বৃদ্ধি করা হয়।
ভৈরব উপজেলা কৃষি অফিসার মো: জালাল উদ্দিন জানান, ভৈরবে গত বছর ৫৮০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছিল। চলতি বছরে ৬৩০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ করা হয়। সরকার পলিথিন জাতীয় দ্রবাদি নিষিদ্ধ করার কারণেই পাটের লক্ষ্যমাত্রা বেড়েছে ধারণা করা হচ্ছে। এ বছর প্রতি মন পাট ২ হাজার টাকার উপরে বাজার মূল্য রয়েছে। আশা করছি আগামী বছর পাটের আবাদ আরো বাড়বে। এতে ফিরে পাবে সোনালী আশেঁর সোনালী অতীত।
 
এবিএন/শনি-২য়/সারাদেশ/ডেস্ক/ছিদ্দিক মিয়া/মুস্তাফিজ/ইতি

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত