logo
রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০১৬
 
 
  • হোম
  • জাতীয়
  • ‘জঙ্গিবাদ দমনে ব্যক্তিগত অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে’
‘জঙ্গিবাদ দমনে ব্যক্তিগত অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে’
‘জঙ্গিবাদ দমনে ব্যক্তিগত অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে’
ছবি: ফোকাস বাংলা

ঢাকা, ০৬ আগস্ট, এবিনিউজ : আজ শনিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দমনে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের ভূমিকা শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে পুলিশের আইজি এ কে এম শহীদুল হক বলেন, ‘জঙ্গিবাদ দমনে জাতীয় ঐক্যমত করে কোনো লাভ হবে না। যার যার অবস্থান থেকে জঙ্গিবাদ দমন করলে এটি নির্মূল করা সম্ভব।’

এসময় আইজিপি বলেন, ‘আগে একটা ধারণা ছিল সমাজের দরিদ্র ও মাদ্রাসার ছেলেরা জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িত। কিন্তু এ ধারণা বিগত কয়েকটি ঘটনায় ভুল প্রমাণিত হয়েছে। শিক্ষিত ছেলেরাও জঙ্গি হয়ে উঠছে। শিক্ষিত ছেলেরা সরাসরি জান্নাতে যাওয়ার লোভে জঙ্গি হচ্ছে। কেন তারা এমনটা ভেবে ভুল করছে এটাই আমাদের চিন্তার বিষয়। এই ক্ষেত্রে আমাদের কাজ করতে হবে।’
 
এবিষয়ে আলেম সমাজের উদ্দেশে এ কে এম শহীদুল হক বলেন, ‘জঙ্গিবাদ সম্পর্কে তরুণ সমাজের কাছে সঠিক ব্যাখ্যা জানাতে হবে। এতে করে তরুণ সমাজ ধর্মীয়ভাবে বিভ্রান্ত হওয়া থেকে মুক্তি পাবে।’

আইজি বলেন, ‘ব্লগারদের তাদের ব্লগে উসকানিমূলক বক্তব্য পরিহার করতে হবে। তরুণ সমাজকে ধর্মীয় অপব্যাখ্যা থেকে দূরে থাকতে হবে। আইটিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তরুণদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান স্বীকার করে তিনি বলেন, তরুণদের কেউ কেউ জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আবার কেউ কেউ মুক্তচিন্তায় আদর্শিত। অতিরিক্ত মুক্তচিন্তা করতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনছে।’

ব্লগাররা ইসলাম ধর্ম ও রাসুল (সা.) সম্পর্কে যে ধরনের কটূক্তি করেছে তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না বলেও যোগ করেন তিনি।

বিভিন্ন সময়ে আটক জঙ্গিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পাওয়া তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, জঙ্গিরা শরিয়া আইনে খেলাফত প্রতিষ্ঠা করবে। তারা মানুষের তৈরি আইন বা সংবিধান মানে না। এখানেই তাদের সমস্যা। তারা জিহাদ করবে মুশরিক, মুরতাদ, মুনাফিক, কাফেরদের বিরুদ্ধে। এই জঙ্গিদের বোঝানো হয়েছে এই চার শ্রেণির লোকদের হত্যা করলে কোনো বিচার হবে না।’

তিনি আরও বলেন, “আটক জঙ্গিদের কাছ থেকে তেমন কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। কোনো জঙ্গিকে আটক করলে বলে, ‘আমাকে মেরে ফেলেন। আমি জান্নাতে যাব। আপনারা তাগুতি শক্তি, আপনারা মুরতাদ, আপনারা দোজখে যাবেন।’ এই জান্নাতের স্বপ্ন দেখে জিহাদি হচ্ছে। মুসলমানদের হত্যা করছে।”

এসব তরুণদের হিপনোটাইজ করে ফেলা হচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘তারা গ্রেপ্তার হওয়ার পর আর বাঁচতে চায় না।’

শহীদুল হক বলেন, ‘একটি দেশে অন্য কোনো ধর্মের মানুষ থাকতে পারবে না, এটি অপপ্রচার। ইসলামি ব্যক্তি, আলেমসমাজ, মাদ্রাসার শিক্ষকদের এ ধরনের অপপ্রচার বন্ধে কাজ করতে হবে।’

এবিএন/শনি-১ম/জাতীয়/ডেস্ক/জনি/মুস্তাফিজ/জেডি

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত