logo
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০১৬
 
 
  • হোম
  • সারাদেশ
  • ৩৫ বছরেও হয়নি সংস্কার জামালগঞ্জের ফেনারবাঁক ইউপি পরিষদ ভবন
৩৫ বছরেও হয়নি সংস্কার জামালগঞ্জের ফেনারবাঁক ইউপি পরিষদ ভবন
৩৫ বছরেও হয়নি সংস্কার জামালগঞ্জের ফেনারবাঁক ইউপি পরিষদ ভবন
সুনামগঞ্জ, ০৫ আগস্ট, এবিনিউজ : সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার হাওর বেষ্টিত ফেনারবাঁক ইউনিয়নের পরিত্যক্ত ইউপি ভবন সংস্কার কিংবা নতুন ভবন নির্মাণ না করায় ইউনিয়নবাসীকে নাগরিক সেবা পেতে গত ৩৫ বছর যাবৎ সীমাহীন কষ্ট সহ্য করতে হচ্ছে।  নামে আছে, কামে নাই, ভবন থাকলেও কেউ কোন দিন উঁকি দিয়ে দেখেননি। কয়েক যুগ পেরিয়ে গেলেও তালা খোলা হয়নি এক ঘন্টার জন্যও। এই নিয়ে ফেনারবাঁক গ্রামবাসীসহ আশপাশের এলাকার মানুষের আক্ষেপের শেষ নেই। শুধু আক্ষেপ নয়, সাধারণ মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই। নাগরিকদের চেয়ারম্যান সনদ, জন্মনিবন্ধনসহ পরিষদের যে কোন কাজের জন্য ছেলে বুড়ো সকলকে উপজেলা সদরে আসতে হচ্ছে।এলাকাবাসীর দাবী জরুরী ভিত্তিতে ইউনিয়ন পরিষদ ভবন চালু করার জন্য। অবশ্য উপজেলা প্রশাসন বলছেন পরিষদ ভবনের নকশা করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। নির্বাচনের আগে জনপ্রতিনিধিদের অনেকেরই ঘোষণা ছিলো নির্বাচিত হলে নতুন ইউপি ভবন নির্মাণের। কিন্তু কেউ কথা রাখেননি। জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সূত্রে জানা যায়, ১৯৬৬ ইং সালে ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থান ফেনারবাঁক গ্রামেই ৫৫ শতক জায়গায় নির্মিত হয় একটি ভবন। কিন্তু এই কার্যালয়টি দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে অরক্ষিত ও পরিত্যক্ত থাকার কারণেই প্রকৃত নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত ও চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এখানকার জনসাধারণ। জানা যায়, ফেনারবাঁক গ্রামে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়টি স্থাপিত হওয়ার পর প্রায় ৯ বছর পর্যন্ত চেয়ারম্যানগণ নাগরিক সেবা প্রদান করে ছিলেন। পরবর্তীতে ১৯৭৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় কার্যালয়টির ভিটের মাটি সরে গেলে ব্যাপক ক্ষতি হয়। এর পর থেকে ১৯৯৩ ইং সালের পূর্ব পর্যন্ত নির্বাচিত কোন চেয়ারম্যান কার্যালয়টি মেরামতের কোন উদ্যোগ নেননি। প্রাক্তন ও নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান করুনা সিন্ধু তালুকদার, সাবেক চেয়ারম্যান রথীন্দ্র কুমার তালুকদার, আজাদ হোসেন বাবলু ও বর্তমান চেয়ারম্যান মতিউর রহমান তাদের নিজ-নিজ সুবিধা অনুযায়ী কখনো উপজেলা সদরে ভাড়া করা বাসায়, আবার কখনো নিজ বাড়িতে বসেই ইউনিয়নের কর্যক্রম চালিয়ে গেছেন। চেয়াম্যানদের নিকট কোন কাজের প্রায়োজনে দেখা করতে বর্ষায় নৌকা আর হেমন্তে প্রায় ২৫ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে উপজেলা সদরে আসতে হচ্ছে জনসাধারণের। 
জানা যায়, বিগত ১৯৯৩-৯৪ইং সালে তৎকালীন বিএনপির নেতৃত্বাধীন ৪ দলীয় জোট সরকারের আমলে এই ইউনিয়ন পরিষদটির সংষ্কার কাজ করে তৎকালীন চেয়ারম্যান রতীন্দ্র কুমার তালুকদার কার্যালটি চালু করে ছিলেন। কিছুদিন কার্যক্রম চলার পর আবারো কাজ বন্ধ করে দেয়ার ফলে এই কার্যালয়টি অরক্ষিত হয়ে যায়। 
জামালগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আ: ছাত্তার জানান, দুইবার ফেনারবাঁক ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য দরপত্র আহবান করা হয়, বর্তমান সময়ে হাওরের পরিবেশ উপযোগী উপযুক্ত ডিজাইন করে এটি নির্মাণের জন্য সদর দপ্তরে প্রস্তাবনা প্রেরণ করা হয়েছে।
 
এবিএন/শুক্র-২য়/সারাদেশ/ডেস্ক/অরুন চক্রবর্তী/মুস্তাফিজ/ইতি

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত