logo
শুক্রবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
 
ekattor

দাউদকান্দি শ্রমিকলীগ সভাপতি হামলার শিকার

দাউদকান্দি শ্রমিকলীগ সভাপতি হামলার শিকার
দাউদকান্দি (কুমিল্লা), ০৫ আগস্ট, এবিনিউজ : সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ডায়েরী করে বাড়ি যাওয়ার পথে হামলার শিকার হয়েছেন জহির রায়হান নামের এক শ্রমিকলীগ নেতা। সে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার জিংলাতলী ইউনিয়ন শ্রমিকলীগ সভাপতি। আশংকাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ওই  ইউনিয়নের জিংলাতলী গ্রামে। 
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, এলাকায় মাদক ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের প্রতিবাদ ও তাদের বিরোদ্ধে প্রতিবাদ করায় শ্রমিকলীগের সভাপতি জহির রায়হানের দোকানের আসবাপত্র পানিতে ফেলে দেয়। এ  নিয়ে সে তাদেরকে গালমন্দ করে। পরে বিষয়টি ইউপি চেয়ারম্যান অফিসে মিমাংশা করে দিবে বলে বুধবার রাতে জিংলাতলী ইউপি ডেকে আনেন। ইউপি আফিসে আলমগীর চেয়ারম্যান জহির রায়হানের কথার শুনার একপর্যায়ে রিয়াদ ও শাহপরান ও এসে তার ওপর হামলা চালায়। পরে আলমগীর চেয়ারম্যান তাদেরকে বিদায় করে এবং পরে বিষয়টি মিমাংশা করে দিবে। পরের দিন জহির রায়হান জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি ডায়েরী করেন। থানায় ডায়েরী করে রাতে বাড়ি যাওয়ার সময় ৭/৮জনের সন্ত্রাসীদল তাকে পথরোধ করে। এসময় সে দৌড়ে মাসুক মিয়া ঘরে আশ্রয় নিলে সেখান থেকে ধরে নিয়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপতারি ভাবে কুপিয়ে মারাত্মক ভাবে জখম করে। আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পুলিশ খবর পেয়ে জহির রায়হানকে উদ্ধার প্রথমে গৌরপুর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আশংকাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। 
শ্রমিকলীগ সভাপতি আহত জহির রায়হান বলেন, এলাকায় মাদক ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের প্রতিবাদ করায় তারা আমার দোকানের মালামাল ফেলে দেয়। আমাকে সুষ্ঠু বিচার করে দিবে বলে চেয়ারম্যান সাহেব আমাকে ডেকে নেয়। চেয়ারম্যান সাহেবের সামনেই সন্ত্রাসীরা আমাকে মারধর করে। পরে আমি আইনের আশ্রয় নেই।  থানায় ডায়েরী করে বাড়ি ফেরার পথে সন্ধ্যায় ৭/৮জনের সন্ত্রাসী দল আমার ওপর অতির্কিত হামলা করে। 
উপজেলা শ্রমিকলীগ সভাপতি রকিব উদ্দিন রকিব এ হামলার তীব্র নিন্দা করেন এবং অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনার দাবী জানান।
ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আলগীর বলেন, এখানে মুল বিষয় হলো এলাকার শহিদুল্লাহ সরকার আমার পরিষদেও নামে ২৫ শতক জায়গা দান করবে বলে উটজেলা চেয়ারম্যানের নিকট প্রতিশ্রুতি দেন। ওই জায়গায় জহির তার দোকানের মাচা(চকি) পাততে গেলে এলাকার লোকজন তা ভেঙ্গে ফেলে। বিষয়টি মীমাংশা করার জন্য অফিসে ডেকেছিলাম। তবে আমার সামনে যা ঘটেছে তা খুবই দুঃখজনক। আমি বলেছিলাম পরে উপযুক্ত বিচার করে দেব।
গৌরীপুর পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ তপন কুমার বাকচী বলেন, শ্রকিলীগের সভাপতি ওপর হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। তাকে প্রথমে গৌরীপুর হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে। তবে কারা এর সাথে জড়িত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।       
 
এবিএন/শুক্র-২য়/সারাদেশ/ডেস্ক/জাকির হোসেন/মুস্তাফিজ/ইতি

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত