logo
শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০১৬
 
 
  • হোম
  • সারাদেশ
  • বন্দরের বিভিন্নস্থানে অবৈধ ভাবে চলছে পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি
বন্দরের বিভিন্নস্থানে অবৈধ ভাবে চলছে পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি
বন্দরের বিভিন্নস্থানে অবৈধ ভাবে চলছে পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি

বন্দর, ০৪ আগস্ট, এবিনিউজ : নাসিক বন্দরে বিভিন্নস্থানে অবৈধ ভাবে চলছে পরিবহন সেক্টরে  চাঁদাবাজি। থানা প্রশাসনের চোখের সামনে অবৈধ ভাবে চাঁদা আদায় করছে একটি চক্র। নাসিক ও থানা প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় জনমনে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। দূর্ভোগ পোহাচ্ছে যাত্রী সাধারণ। প্রতিনিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা। মদনপুর, ইস্পাহানী, ধামগড়, দাশেরগাঁও, নবীগঞ্জ, ফরাজীকান্দা মদনগঞ্জ চৌড়াস্তায় প্রকাশ্যে ক্ষমতাশীনদের প্রভাব দেখিয়ে ও  সিটি কপোরেশনের নামে ভূয়া রশিদ তৈরি করে বিভিন্ন যানবাহন হতে চাঁদা আদায় হচ্ছে।
ভূয়া ষ্ট্যান্ড দেখিয়ে  ইজারা এনে সড়কে চলাচলরত পরিবহন থেকে চাঁদা নিচ্ছে সন্ত্রাসীচক্র। সিটি কপোরেশনের নিদের্শাবলীতে লেখা রয়েছে ষ্ট্যান্ডে গাড়ী পাকিং বাবদ ট্রাক/বাস থেকে ৫০ টাকা, সিএনজি হতে ২০ টাকা। অথচ ট্রাক/বাস হতে ১০০/২০০ টাকাও নানাভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায় করে নিচ্ছে। প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি বন্ধে নাসিক মেয়র ও সাংসদের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।
জানা যায়, বন্দরে নবীগঞ্জ কামাল উদ্দিনের মোড় হইতে নবীগঞ্জ বাসষ্ট্যান্ড পর্যন্ত সিটি কর্পোরেশন ইজারা দেয় জুম্মানকে ১৫ লাখ ৩০০০ টাকা এর মধ্যে বেবী ও সিএনজি রয়েছে। এছাড়াও তারা এর বাহিরে আকিজ সিমেন্ট এর লোড ও আনলোড প্রতি ট্রাক ও কন্টিনার ৫০/১০০ টাকা করে চাঁদা নিচ্ছেন লাইনম্যান সোহেল, বেবী ও সিএনজি সিটি কর্পোরেশনের রিসিট অনুযায়ী দর ১৫ টাকা করে সেটা না নিয়ে বাড়তী আদায় করছেন ৪০ টাকা করে। কামাল উদ্দিন মোড় আকিজ সিমেন্টের গাড়ী থামিয়ে ৫০/১০০ টাকা করে আদায় করছে চাদা বাজ চক্রের হোতা নিজাম, মোস্তফা-মোস্তাক গংরা। মদনগঞ্জ স্ট্যান্ডের নামে ইজারা এনে সিটির রাস্তায় না দাঁড়িয়ে তারা সড়ক ও জনপদের রাস্তা থেকে চাঁদা আদায় করছে। তাদেও কবল থেকে রেহাই পচ্ছেনা বসুন্ধরা, সিমেক্স, সামিটসহ বিভিন্ন পন্যবাহী ট্রাক। এমনকি তারা লাশবাহী গাড়ি থেকেও চাঁদা আদায় করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ব্যপারে সিটি কর্পোরেশনের ষ্টোরকিপার জহিরুল মিয়া টেলিফোনে আলাপ করে জানান তাহাদের বেবী ও সিএনজি ছাড়া কোন কিছু ইজারা দেওয়া হয়নি। জানতে চাইলে মোবাইল আলাপকালে মোবাইল চালু রেখে অন্যজনের সাথে আলাপে মেতে উঠেন কিছুখন পর লাইন কেটে দেন বার বার টেলিফোন করার পরে সে মোবাইল ফোনটি রিসিপ করেনি। অনেকের ধারণা সিটি নির্বাচনে বর্তমান মেয়র ইমেজ সংকটে পরতে পারেন। প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি বন্ধে নাসিক মেয়র ও সাংসদের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।

এবিএন/বৃহস্পতি-২য়/সারাদেশ/নাসির উদ্দিন/মুস্তাফিজ/রাজ্জাক

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত