logo
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০১৬
 
 
কলাপাড়ায় বাঁধে ভাঙ্গনে জনজীবনে বিপর্যয়
কলাপাড়ায় বাঁধে ভাঙ্গনে জনজীবনে বিপর্যয়
কলাপাড়া (পটুয়াখালী), ০৪ আগস্ট, এবিনিউজ : আমাবশ্যার জোয়ারের প্রভাবে রামনাবাদ নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে উপজেলারর লালুয়া, মহীপুর ও ধানখালী ইউনিয়নের ১৩টি গ্রামের মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। প্রবল স্রোতে গ্রামগুলোর মানুষের বসত বাড়ি এখন নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে প্রমত্তা রামনাবাদ নদীর করাল গ্রাসে।
গত মঙ্গলবার সকালে লালুয়ার ৪৭/৫ পোল্ডারের  চাড়িপাড়া বেড়িবাঁধের ভেঙে যাওয়া অংশ দিয়ে রামনাবাদ নদীর জোয়ারের পানি প্রবেশ করে চাড়িপাড়া, পশরবুনিয়া, বানাতিপাড়া, ১১নং হাওলা,বানাতিপাড়া, ধঞ্জুপাড়া ও নয়াকাটা গ্রাম তলিয়ে যায়। স্থানীয় ইউপি সদস্য জানান, বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় দুই শতাধিক পরিবার গৃহহীন হওয়ার আশংকায় বাঁধের বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়েছে। মহিপুরের নিজামপুর বাঁধের ভাঙা অংশদিয়ে পানি প্রবেশ করে তিনটি গ্রামের অন্তত ৭ শতাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। প্রায় ছয় মাস আগে বাঁধটি ভাঙলেও এখনও সংস্কারের উদ্যেগ নেয়া হয়নি। একইভাবে প্রতিটি জোয়ারে পৌর শহরের বেড়িবাঁধের বাহিরে বসবাসরত শতাধিক পরিবার আন্ধারমানিক নদীর পানিতে প্লাবিত হচ্ছে।
চাড়িপাড়া গ্রামের শত শত মানুষ এবছরও তৃতীয় বারের মতো বাঁধের ওপর আশ্রয় নিলেও সেটিও এখন ঝুঁকিপূর্ন।
নাওয়াপাড়া গ্রামের দুই শতাধিক পরিবার জোয়ারের সময় বাঁধের ওপর আশ্রয় নেয় আর ভাটায় বাড়ি ফেরে। ঘরের সব মালামাল রাখতে হয় মাঁচার উপরে আর রাতের জোয়ার হয় আরও ভয়াবহ।
চাড়িপাড়া গ্রামের ইউপি সদস্য মজিবর হাওলাদার জানান, স্রোতের টানে শতশত পরিবারের বসত ঘর হারানোর আশঙ্কা রয়েছে। বাঁধের ভাঙা অংশ ক্রমশ বড় হচ্ছে তাই পানির চাপও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ গ্রামের  অন্তত ৪ হাজার একর জমির বীজতলা ভেসে গেছে। তাই আমন চাষাবাদ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
কলাপাড়া পাউবোর সহকারী প্রকৌশলী জানান,আমরা দূর্গত এলাকা পরিদর্শন করে ঢাকায় ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাঠিয়েছি। আশাকরি বর্ষা মৌসুম শেষে এই ভাঙা বাঁধগুলো মেরামত করা হবে। কারণ বর্ষায় বাঁধ মেরামতের কাজ শুরু করলে আবার ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
 
এবিএন/বৃহস্পতি-২য়/সারাদেশ/ডেস্ক/তুষার হালদার/মুস্তাফিজ/ইতি

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত