logo
শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০১৬
 
 
  • হোম
  • সারাদেশ
  • সাঘাটায় গবাদী পশুর সাথে বসবাস করছে বন্যা দূর্গত মানুষ
সাঘাটায় গবাদী পশুর সাথে বসবাস করছে বন্যা দূর্গত মানুষ
সাঘাটায় গবাদী পশুর সাথে বসবাস করছে বন্যা দূর্গত মানুষ

গাইবান্ধা, ০৪ আগস্ট, এবিনিউজ : ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর পানি কিছুটা কমলেও বাড়িঘর থেকে পানি নেমে না যাওয়ায় সাঘাটা উপজেলার বানভাসিরা এখনও দূর্ভোগ পোহাচ্ছে। বিশেষ করে নদীর তীরবর্তী এলাকার বন্যা কবলিত মানুষ আশ্রয় নিয়েছে ভরতখালী-সাঘাটা বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধে। শত-শত পরিবার গরু, ছাগল নিয়ে চোর ডাকাতের ভয়ে রাত জেগে পাহাড়া দিচ্ছেন। সেই সঙ্গে গো-খাদ্যের  ব্যাপক সংকট তো রয়েছেই। তাই বাধ্য হয়েই বানভাসী পরিবারগুলো গরু, ছাগল নিয়ে একসাথে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে গাদাগাদি করে বসবাস করছে। কেউ ছোট্ট একটি ছাপড়া ঘর, কেউ বা খোলা আকাশের নিচে গবাদী পশু নিয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে দিনাতিপাত করছে। গরুর খাবার জোটাতে না পেরে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছে। বন্যায় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হলেও সরকারিভাবে গো-খাদ্য সংকটে কোন উদ্যোগ এ পর্যন্ত নেয়া হয়নি।   
উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বন্যা দূর্গত সাঘাটা, ভরতখালী, হলদিয়া, ঘুড়িদহ, জুমারবাড়ী ইউনিয়নের গরু ৪১ হাজার ২শ ৪১, ছাগল ১৮ হাজার ৫শ ৩, ভেড়া ৯ হাজার ৫শ ৮টি গবাদী পশু বন্যায় আক্রান্ত হয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধে অবস্থান করছে। সাঘাটা ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন সুইট জানান  সরকারিভাবে  কোন টিম গবাদী পশুর চিকিৎসার উদ্যোগ গ্রহণ করে নাই।
বাধে আশ্রয় নেয়া বাশহাটা গ্রামের রহিমা জানান, ৫টি গরু নিয়ে গাদাগাদি করে বাধে আশ্রয় নিয়েছি। গো-খাদ্যের কোন সহায়তা এখনো পাইনি। একই বাধে আশ্রয় নেয়া জয়নব বিবি জানান, ৩টি গরু ও ২ ছাগলের খাবার সংগ্রহ নিয়ে খুব চিন্তায় আছি। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা একেএম রুহুল আমিন জানান, বন্যায় দূর্গত এলাকা ও বাধে আশ্রয় নেয়া বানভাসীদের গবাদী পশুর চিকিৎসার জন্য টিম পাঠানো হয়েছে। তবে গো-খাদ্যের সংকট বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।


এবিএন/বৃহস্পতি-২য়/সারাদেশ/আরিফ উদ্দিন/মুস্তাফিজ/রাজ্জাক

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত