logo
বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৬
 
ekattor
  • হোম
  • সারাদেশ
  • সৈয়দপুর পৌরসভার বড় সমস্যা সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা
সৈয়দপুর পৌরসভার বড় সমস্যা সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা
সৈয়দপুর পৌরসভার বড় সমস্যা সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা

নীলফামারী, ০৪ আগস্ট, এবিনিউজ : নীলফামারীর ১ম শ্রেণির সৈয়দপুর পৌরসভার পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে রাস্তা র পানি গড়িয়ে বাসাবাড়িতে ঢুকে পড়ছে। ফলে পৌরবাসী চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
৩৪.৪২ বর্গকিলোমিটারের সৈয়দপুর পৌরসভাটি ১৯৯৭ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম শ্রেণিতে উন্নীত করা হয়। সরকারের বিমাতা সুলভ আচরণের কারণে পৌরসভার কাংখিত উন্নয়ন হচ্ছে না। পৌরসভার ট্যাক্সের টাকায় পৌরসভার উন্নয়নমূলক কাজ হচ্ছে। ফলে বর্তমান পৌর পরিষদ নতুন পৌর ভবন যেমন নির্মাণ করতে পারছে না তেমনি বস্তি, ক্যাম্প বা কলোনীর উন্নয়নসহ পয়ঃনিষ্কাশন উন্নয়নে কোনো পরিকল্পনা নিয়ে এগুতে পারছে না।
শহরের বেশির ভাগ জায়গা রেলওয়ের। জায়গা নিয়ে পৌরসভা ও রেলওয়ের রশি টানাটানির সমাধান না হওয়ায় পৌরসভা পরিকল্পিতভাবে কোনো কাজ করতে পারছে না। রেলওয়ের জায়গায় ঘরবাড়ি ও দোকানপাট তৈরি করে দিব্যি ব্যবসা করছেন লোকজন। কোথাও ড্রেনের উপর কোথাও বন্ধ করে এসব প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলে সড়কে পানি সয়লাব হয়ে পড়ে এবং সেই পানি পাড়া-মহল্লার বাসাবাড়িতেও প্রবেশ করছে।
পৌরসভার সূত্র জানায়, এলজিএসপি প্রকল্পের আওতায় ড্রেন, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কার, সড়ক বাতিসহ বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। মডেল পৌরসভা হিসাবে গড়ে তোলার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ড্রেনের কাজ শেষ হলে শহরে আর জলাবদ্ধতা থাকবে না বলে সূত্র জানিয়েছে।
 সৈয়দপুর পৌরসভার চতুর্থবার নির্বাচিত মেয়র অধ্যক্ষ আমজাদ হোসেন সরকার জানান, পৌরসভার উন্নয়নে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পৌর কাউন্সিলর ও পৌরবাসীর মতামতের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করা হচ্ছে। আগামিতে পৌরসভা এলাকার জলাবদ্ধতাসহ অনেক সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করেন তিনি।
তিনি বলেন, সর্বস্তরের মানুষের পরামর্শে ও সহযোগিতায় পৌরসভা সুন্দর করতে বস্তি ও কলোনী উন্নয়নের পাশাপাশি পৌরসভা আয় বাড়ানোর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। পৌর পার্ক, পাইকারী সবজি বাজার ও সুষ্ঠু ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে। রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, পৌরসভার স্ট্রীট লাইট ও পৌর বৃত্তি কার্যক্রম সকলের কাছে প্রশংসিত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।


এবিএন/বৃহস্পতি-১ম/সারাদেশ/মো. আমিরুজ্জামান/মুস্তাফিজ/রাজ্জাক

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত