logo
বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৬
ekattor
  • হোম
  • সারাদেশ
  • শেরপুরে স্কুল ছাত্রকে অপহরণের পর হত্যার চেষ্টা
শেরপুরে স্কুল ছাত্রকে অপহরণের পর হত্যার চেষ্টা
শেরপুরে স্কুল ছাত্রকে অপহরণের পর হত্যার চেষ্টা
শেরপুর (বগুড়া), ০৩ আগস্ট, এবিনিউজ : বগুড়ার শেরপুরে পুর্ব শত্র“তার জের ধরে নবম শ্রেণীর ছাত্রকে অপহরণের পর হত্যার চেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অপহরণকারীরা তাকে হত্যা করতে না পেরে শরীরে এসিড নিক্ষেপ করলে সে গুরুতর আহত হয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মামলা সুত্রে জানা যায়, শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বিশ্বা গ্রামের স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যাক্তি মৃত সোনা মিয়া মুন্সির ছেলে আব্দুল মোন্নাফকে একই গ্রামের নাছিমা নামের এক গৃহবধুকে জোরপূর্বক ধর্ষণের সময় (ভিকটিম) বেল¬াল হোসেন দেখে ফেলে চিৎকার দিলে গ্রামবাসীর সহায়তায় তাকে হাতে নাতে আটক করে। এই ঘটনায় ওই গৃহবধু নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করলে আসামী মোন্নাফ বাদীর সাথে আপোস মিমাংসা করে নেয়। 
এরপর থেকে সে বেল¬াল হোসেনকে দেখে নেয়ার হুমকি দিতে থাকে এবং হত্যার ষড়যন্ত্র করতে থাকে। এরই এক পর্যায়ে গত ২০ জুন বিশ্বা দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্র বেল¬াল হোসেন প্রাইভেট পড়ে বাড়ী ফেরার সময় মোন্নাফের নেতৃত্বে ৩/৪ জন মিলে তাকে রাত ৮টার দিকে অপরহণ করে নিয়ে যায়। ওইদিন তাকে খুঁজে না পেয়ে শেরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়। পরে অপরহণকারীরা রাত ৩টার দিকে হাত পা বেধে সিএনজি যোগে নিয়ে যাওয়ার সময় নাই শিমুল গ্রামের উত্তরে চৌমুহনী বাজারের নিকট পৌছলে মসজিদের মুসুল্লীগণের আগমেন আসামিগন ভিকটিমকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যেতে না পেরে হাত পা বাঁধা অবস্থায় মারপিট করে রাস্তায় ফেলে দিয়ে কেমিকেল জাতীয় এসিড নিক্ষেপ করে চলে যায়। এ সময় ভিকটিমের বামহাতের কনুই হতে কব্জি পর্যন্ত পুড়ে মাংস খসে পরে। মসজিদের মুসুল্লীগণ ভিকটিমকে উদ্ধার করে মোবাইলের মাধ্যমে তার আত্মীয় স্বজনকে খবর দেয়। পরে শেরপুর হাসপাতালে ভর্তি করলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
এই ঘটনায় মফিজ উদ্দিন বাদী হয়ে বগুড়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করলে সেটি এফআইআর হিসেবে গ্রহন করতে শেরপুর থানার ওসিকে বলা হয়েছে। বাদী মফিজ উদ্দিন জানান, এই ঘটনার পর থেকে আসামীরা তাদেরকে নানা ধরণের হুমকি ধামকি দিচ্ছেন, আসামিরা এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং অনেক টাকা পয়সার মালিক হওয়ায় আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
এ ব্যাপারে শেরপুর থানার ওসি তদন্ত মিজানুর রহমান জানান, ঘটনাটি আমরা শুনেছি। আদালতে ইজাহার দায়ের করা হয়েছে সেটি এখনো থানায় আসেনি। ইজাহারটি থানায় আসলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
 
এবিএন/বুধ-২য়/সারাদেশ/ডেস্ক/শহিদুল ইসলাম/মুস্তাফিজ/ইতি

প্রধান শিরোনাম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত